সৈয়দপুরে তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন
সৈয়দপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
প্রখর রোদ, ভ্যাপসা গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত তিনদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। প্রখর রোদ, ভ্যাপসা গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরের পর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগের দুদিন তাপমাত্রা ছিল ৩৭/৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস । সৈয়দপুর বিমানবিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, মৌসুমী বৃষ্টিপাত কমে আসায় গত তিনদিন ধরে এ জনপদে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার দুপুরের পর সৈয়দপুরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে তাপদাহের কারণে শহরে লোকজনের চলাচল একেবারেই কমে গেছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। যানবাহন চলাচলও অনেকটা কমেছে। শহরের শরবতের দোকানগুলোতে তৃষ্ণার্ত মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তালের শাষ বিক্রিও বেড়েছে কয়েকগুন।
এই গরমে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নামলেও প্রচণ্ড গরমে কাহিল হয়ে পড়ছেন তারা। মাঠ-ঘাট ছেড়ে অনেককে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে। প্রচন্ড গরমের কারণে গলা শুকিয়ে যাওয়া রিকশাচালকরা রিকশায় বসে পানি পান করছেন। কেউবা রোদে গরম হয়ে যাওয়া মাথা ভিজিয়ে নিচ্ছেন।
সৈয়দপুর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াশিমুল বারী জয় বলেন, তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকিতে পড়বেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। এতে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে এবং ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে অসুস্থ রোগীরা হাসপাতালে আসছেন চিকিৎসার জন্য। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাদের বেশি করে পানি পান, হালকা খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। হাই প্রেসার রোগীদের সাবধানে থাকার অনুরোধও জানান তিনি।

-6a203d4341a05.jpg)