Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

এবার সেই জামায়াত নেতার অডিও ভাইরাল

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

এবার সেই জামায়াত নেতার অডিও ভাইরাল

গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজী বাকীবিল্লাহর একটি কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে তার দেওয়া কিছু বক্তব্য বিয়ের নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অডিওতে কাজী বাকীবিল্লাহকে বলতে শোনা যায়, কনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ ফোনে প্রয়োজনীয় সম্মতি দেন। পরে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে মরিয়ম খাতুন ও তার অভিভাবক এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। অর্থাৎ, কাবিননামায় বিয়ের তারিখ ১৭ জুলাই উল্লেখ থাকলেও স্বাক্ষর নেওয়া হয় ২১ জুলাই মঙ্গলবার। 

কনের নাম ও জন্ম তারিখের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কাজী দাবি করেন, প্রয়োজনীয় তথ্য তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল এবং সেই তথ্য অনুযায়ীই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয়। তিনি আরও বলেন, কনের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩ মাস।

এর আগে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে তার ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করা হয় এবং গোপনে ধারণ করা ব্যক্তিগত ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে ঘটনাস্থল, কথোপকথন এবং ঘটনার বর্ণনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সম্মতিতে তিনি মরিয়ম খাতুনকে বিয়ে করেছেন। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ পৃথক ভিডিও বার্তায় ওই বিয়ের দাবির পক্ষে বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ কাজীর এই অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর এমপির বিয়ের দাবি, কাবিননামার তারিখ এবং স্বাক্ষরের সময় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অডিওটির সত্যতা এবং কাজীর বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম