বন্দর থেকে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দর। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এবার তিন কোটি টাকার কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার গায়েবের ঘটনা ঘটেছে। ৩০ আগস্ট থেকে ৪০ ফুটের একটি এফসিএল কনটেইনার পাওয়া যাচ্ছে না। এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কনটেইনারের হদিস দিতে পারেনি। এ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরজুড়ে চলছে তোলপাড়। এ ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
এদিকে কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেটের স্বত্বাধিকারী মো. হাফিজুর রহমান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘটনাটি আগস্ট মাসের হলেও বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর ঘটনাটি আর চাপা থাকেনি। গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে কনটেইনার খালাস করে ‘এমভি এমসিসি ডানাং’ নামে একটি জাহাজ। ওই জাহাজে ৪০ ফুট এফসিএল কনটেইনারে (কনটেইনার নং- এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭) আসে সাভারের কালিয়াকৈরের রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স।
আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেট পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে গত ২২ আগস্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। পরে কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের রাজস্ব পরিশোধ করে ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ তা ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়। ৩০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্তও এটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সিঅ্যান্ডএফ কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন টার্মিনাল ম্যানেজারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি এটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেটের স্বত্বাধিকারী মো. হাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় তিন কোটি টাকার কাপড় ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পাওয়ায় আমাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও বিপাকে পড়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম যুগান্তরকে জানান, কনটেইনার মিসিংয়ের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।

-6a9ecbf5940c1.jpg)