Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

অভিযুক্ত নার্স লাপাত্তা

মায়ের ইনজেকশন নবজাতককে দেওয়ায় তদন্ত কমিটি

Icon

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ পিএম

মায়ের ইনজেকশন নবজাতককে দেওয়ায় তদন্ত কমিটি

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে এক নবজাতককে তার মায়ের জন্য নির্ধারিত ইনজেকশন পুশ করায় হার্টে ছিদ্র এবং রক্তে ইনফেকশনসহ নানা ধরনের সমস্যা ধরা পড়েছে। গত শনিবার রাতে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর নবজাতকটিকে ওই হাসপাতালের এনআইসিইউতে নিয়ে ভর্তি করা হয়। 

প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর ওই শিশুকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালে নবজাতকের মা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনা তদন্তে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সিএসসিআর কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে। তবে এরই মধ্যে অভিযুক্ত নার্স লাপাত্তা হয়ে গেছে। তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে সিএসসিআর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নবজাতকের বাবা মো. হাসান বলেন, বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমার সন্তানের হার্টে ছিদ্রসহ নানা ধরনের সমস্যা ধরা পড়েছে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে। তবে আমার স্ত্রীকে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা অনেক হয়রানি করেছে। আমার স্ত্রী সন্তান প্রসবের পর থেকে একটি ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এরপরও তাকে দুপুর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের রিসিভশনে বসে থাকতে হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এভারকেয়ারে আমার স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যবস্থা করেছে।

এর আগে শনিবার রাতে মায়ের জন্য নির্ধারিত অ্যান্টি-ডি ৩০০ মিলিগ্রাম নামক ইনজেকশন নবজাতকের শরীরে পুশ করা হয়। ওই ইনজেকশন দেওয়ার পর নবজাতকটি ছটফট করতে শুরু করে এবং তার ত্বকের রং অনেকটা নীল হয়ে যায় বলে তার অভিভাবক জানান। 

পরিবারের অভিযোগ, নবজাতক জন্মের তিন ঘণ্টা পরই ওই ইনজেকশনটি দেওয়া হয়। ওই সময়ে নবজাতকের মা নার্সকে ইনজেকশনটি চিনতে পেরে নার্সকে বাধা দিলেও তা শোনেননি। 

এ বিষয়ে সিএসসিআর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোরশেদুল করিম চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, নবজাতকের ইকো করায় তার হার্টে জন্মগত ত্রুটি পাওয়া যায়। সেখানে ছিদ্র রয়েছে। এজন্য তার শ্বাস নিতে সমস্যা হবে। এই চিকিৎসা এভারকেয়ার হাসপাতালে ভালো বিধায় নবজাতককে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তারা ওই নার্সকে খুঁজে পাচ্ছে না। তবে এজন্য আমাদের কোনো কাজ থেমে নেই।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম