বাংলাদেশি মালিকের টানে নবীনগরে সৌদি সিইও, উৎসুক জনতার ভিড়
Advertisement
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
বাংলাদেশি মালিকের টানে নবীনগরে সৌদি সিইও। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হেলিকপ্টারে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের প্রত্যন্ত গ্রামে এসে নিজের প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের বাড়িতে হাজির হয়েছেন সৌদি আরবের নাগরিক ও ব্যবসায়ী মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের দামলা গ্রামে তার আগমনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক কৌতূহল। তাকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়।
মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি সৌদি আরবের নাগরিক এবং কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। শুক্রবার সকালে হেলিকপ্টারে করে তিনি দামলা গ্রামে পৌঁছান। পরে তিনি কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির কর্ণধার মো. কাউছার মিয়ার বাড়িতে যান।
প্রত্যন্ত একটি গ্রামের বাড়ির কাছে হেলিকপ্টার অবতরণের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। এরপর বিভিন্ন বয়সি মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। স্থানীয় নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সৌদি অতিথিকে দেখতে ভিড় করেন। অনেকেই স্মৃতি ধরে রাখতে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে এ এলাকার অনেক মানুষের কর্মসূত্রে যোগাযোগ থাকলেও একজন সৌদি নাগরিককে সরাসরি হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসতে দেখা তাদের কাছে ব্যতিক্রমী ঘটনা। এ কারণেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার বলেন, সৌদি আরবের একজন ব্যবসায়ী ও এলাকার একজন মানুষের ব্যবসায়িক সহযোগী হেলিকপ্টারে করে দামলা গ্রামে এসেছেন, বিষয়টি স্থানীয় মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ ও কৌতূহল তৈরি করেছে। তার আগমনকে ঘিরে গ্রামের মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
কাউছার মিডলইস্ট কোম্পানির কর্ণধার মো. কাউছার মিয়া বলেন, সৌদি কফিল মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও কর্মসম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের কারণেই তিনি বাংলাদেশে এসে তার গ্রামের বাড়িতে সময় কাটাতে এসেছেন। একজন সৌদি নাগরিকের নিজ গ্রামের বাড়িতে আগমন তার জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয় বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে এসে অনুভূতি জানতে চাইলে মুহাম্মদ মোবারক আলকাহতানি বলেন, বাংলাদেশে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। এখানকার মানুষ খুবই অতিথিপরায়ণ। আমি বেশ আনন্দিত ও উৎফুল্ল।
একজন বিদেশি ব্যবসায়ীর সঙ্গে গ্রামের মানুষের এমন সরাসরি যোগাযোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা। তার আকস্মিক ও ব্যতিক্রমী আগমনকে ঘিরে শুক্রবার দিনভর দামলা গ্রামজুড়ে ছিল আলোচনা ও কৌতূহল।

