নিয়োগে দুর্নীতি, পবিপ্রবির সাবেক ভিসি-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
Advertisement
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিজ্ঞাপিত পদের অতিরিক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ও সাবেক রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বসুর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস মামলাটি রুজু করেন।
দুদকের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত পদসমূহের চেয়ে ৩ জন সেকশন অফিসার, ১ জন করে বুক বাইন্ডার, কিচেন হেলপার, অ্যাটেনডেন্ট, হেলপার ও মালি এবং ৫ জন অফিস সহায়ক ও ৩ জন ল্যাব অ্যাটেনডেন্টসহ মোট ১৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অতিরিক্ত নিয়োগ দেওয়া হয়। যার মধ্যে উপাচার্যের ছেলের নিয়োগও রয়েছে।
এছাড়া ওই একই বছর বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত পদের চেয়ে অতিরিক্ত দুজন প্রভাষক নিয়োগ করা হয়েছে। এসব কারণে সরকারের মোট ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ১৩১ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ দুদকের।
এদিকে দুদকের অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পবিপ্রবির সাবেক ওই উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি ও সদস্য-সচিব হিসেবে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ইউজিসির অনুমোদনবহির্ভূত ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদের চেয়ে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়েছেন।
মামলা রুজুকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস মামলার বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত সাবেক রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বসু জানান, মৃত্যুসহ নানা কারণে শূন্য হওয়া পদের বিপরীতে নিয়মকানুন অনুসরণ করেই নিয়োগ সম্পন্ন করেছে তৎকালীন প্রশাসন।
সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্তকে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
