দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেন্টমার্টিনে পর্যটক, ফুল দিয়ে বরণ
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সেন্টমার্টিনে পর্যটক, ফুল দিয়ে বরণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দুপুরে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের জেটিঘাটে নোঙর করল পর্যটকবাহী জাহাজ। এ সময় দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা, হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অনেকেই তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জাহাজের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে জাহাজ থেকে একে একে নেমে আসেন ৮ শতাধিক পর্যটক। পরে জেটিঘাট দিয়ে সেন্টমার্টিন পশ্চিমের বিচসহ বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্ট হয়ে নিজ গন্তব্যে যান তারা।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর যথাসময়ে সেন্টমার্টিনে পর্যটক আগমনের অনুমতি দেওয়ায় সরকার ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৭টায় কক্সবাজার নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে ৮১০ জন যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয় এমভি বার আউলিয়া নামের একটি জাহাজ। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে নোঙর করে জাহাজটি।
স্থানীয় সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর আজ দ্বীপে পর্যটক আগমনে দ্বীপবাসীরা অনেক আনন্দিত। কারণ পর্যটন ব্যবসাই হলো আমাদের আয়ের উৎস। এতদিন বন্ধ থাকায় আমরা দ্বীপবাসী কত যে কষ্টে ছিলাম তা কাউকে বোঝাতে পারিনি। আজ পর্যটকরা আসার কারণে আমাদের দ্বীপবাসী বিভিন্নভাবে পর্যটকদের সেবা দিয়ে তাদের সঙ্গে ব্যবসাও করবে; যা দিয়ে আমাদের জীবন-জীবিকা চলবে। তাই আমি দ্বীপবাসীর পক্ষ থেকে সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
দ্বীপের বাসিন্দা জাবেদ ইকবাল জানান, পর্যটকরা সেন্টমার্টিন জাহাজঘাটে পৌঁছলে আমরা তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাই এবং তাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে গন্তব্যে পৌঁছে দিই। পাশাপাশি দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় তাদের সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, সেন্টমার্টিনে আগত পর্যটকদের সব সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সব হোটেল, রিসোর্ট ও জাহাজ মালিককে নির্দেশ দিয়েছি। তবে আগত পর্যটকরা যেন দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সচেতন থাকেন, সেই বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে।
