ফসল রক্ষায় ৪০০ বিঘা জমির জলাবদ্ধতা নিরসন করলেন কৃষকরা

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি ১৩ আগস্ট ২০২০, ১৯:৫৯:০১ | অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরে স্থানীয় কৃষকরা স্বেচ্ছাশ্রম ও নিজেদের অর্থে ৪ শতাধিক বিঘার জমির জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উপযোগী করে তুলেছেন কৃষকরা। উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের পাঁচপুরুলিয়া গ্রামের কৃষক কোদাল ও এক্সকেভেটর মেশিন দিয়ে আধা কিলোমিটার লম্বা জায়গায় খাল খনন করে পাইপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে ওই বিলে এখন থেকে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় ওই বিলের পানি নিষ্কাশন হতো না। পানি বের না হওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা লেগেই থাকতো। ফলে ওই মাঠের প্রায় ৪০০ বিঘা তিন ফসলি জমিতে সারা বছর জলাবদ্ধতা লেগেই থাকতো। এতে এলাকার কৃষকরা চরম অভাব অনটনে দিনাতিপাত করছেন। এমনকি তাদের বসত বাড়িতেও দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকে। সরকারিভাবে কোনো ব্যবস্থা না করায় অবশেষে স্থানীয়দের চাঁদায় ২ লাখ টাকা ব্যয়ে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ওই এলাকার সমাজসেবক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অপরিকল্পিত পুকুর খনন করায় আমাদের মাঠের ৪০০ বিঘা জমি ও বসতবাড়ি জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। পানি জমে থাকায় চাষাবাদ করা সম্ভব ছিল না। বারবার আবেদন দিয়েও নিরসন না হওয়ায় অবশেষে চাঁদা তুলে শ্রম দিয়ে তার ব্যবস্থা করা হল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন বলেন, নাজিরপুর ও চাপিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প দেয়া হয়েছে। অতিসত্বর নিরসনের ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত