ফুটবলার তৈরির কারখানা কটিয়াদীর বনগ্রাম একাডেমি
jugantor
ফুটবলার তৈরির কারখানা কটিয়াদীর বনগ্রাম একাডেমি

  ফজলুল হক জোয়ারদার আলমগীর, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২০, ২১:৩৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি এখন ফুটবলার তৈরির কারখানা হিসেবে পরিচিত। একাডেমিটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন দেড় শতাধিক ছেলেমেয়ে।

প্রতিদিন সকালে বালিকা অনূর্ধ্ব-১২ ও ১৪ এবং বালক অনূর্ধ্ব-৮ দলের প্রশিক্ষণ এবং বিকালে বালক অনূর্ধ্ব-১২, ১৪, ১৭ ও ১৯ দলের নিয়মিত প্রশিক্ষণ হচ্ছে বনগ্রাম আনন্দ কিশোর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে।

বাধার পাহাড় ঠেলে বনগ্রামের সাবেক ও বর্তমান ৪ ফুটবলার নিজেদের উদ্যোগে একাডেমিটি গড়ে তুলেছেন। এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলোয়াড় তৈরি করছেন তারা। এসব খেলোয়াড় সাফল্য পাচ্ছে জাতীয় প্রতিযোগিতায়। সংগঠনটি খেলোয়াড় উপহার দিচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে।

ইতোমধ্যেই বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে২ জন মেয়ে ও ৬ জন ছেলে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এদের মাঝে সুষ্মিতা খান নুপুর অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলের গোলকিপার, স্বর্ণা আক্তার অনূর্ধ্ব-১৪ বেগম আনোয়ারা স্পোটিং ক্লাব, আব্দুল হালিম

অনূর্ধ্ব-১৮ ঢাকা মোহামেডান ক্লাব, মো. সাকিম মিয়া অনূর্ধ্ব-১৮ ঢাকা মোহামেডান ক্লাব, রহমত উল্লাহ জিসান অনূর্ধ্ব-১৮ বসুন্ধরা কিংস, নাঈম ইসলাম অনূর্ধ্ব-১৮ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, মো.পারভেজ সিটিএফসি, বিকেএসপি ঢাকা ও মো. শাওন অনূর্ধ্ব-১৮ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে খেলছে।

একাডেমিতে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার বর্তমান বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু বয়সভিত্তিক অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টিমের জাতীয় কোচ মো. সাহাব উদ্দিন ও সহকারী কোচের দায়িত্বে রয়েছেন মো. লিটন। এছাড়াও বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি সভাপতি সাবেক ফুটবলার মাজহারুল ইসলাম পল্টু, মো. রাসেল, মো. আনোয়ার হোসেন ও আব্দুল কাইয়ুম নিয়মিত মাঠে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৯ জন ছেলে ফুটবল খেলোয়াড় একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। এদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা হতে ১১ জন মেয়ে এবং ২২ জন ছেলে একাডেমির আবাসিক ব্যবস্থাপনায় থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। অন্যরা এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছে।

তরুণ ফুটবলার সুষ্মিতা খান নুপুর বলেন, আমি নবম শ্রেণির ছাত্রী। বনগ্রাম ফুটবল একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলের গোলকিপার হিসেবে খেলার সুযোগ পেয়েছি।

বনগ্রাম ফুটবল একাডেমির সভাপতি ও সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় মাজহারুল ইসলাম পল্টু বলেন, আমরা ২০১৭ সালে একাডেমিটি গঠন করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ছেলেমেয়েরা দেশের সেরা ক্লাবগুলোতে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। খেলোয়াড়দের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করছি।

ফুটবলার তৈরির কারখানা কটিয়াদীর বনগ্রাম একাডেমি

 ফজলুল হক জোয়ারদার আলমগীর, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২০, ০৯:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি এখন ফুটবলার তৈরির কারখানা হিসেবে পরিচিত। একাডেমিটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন দেড় শতাধিক ছেলেমেয়ে। 

প্রতিদিন সকালে বালিকা অনূর্ধ্ব-১২ ও ১৪ এবং বালক অনূর্ধ্ব-৮ দলের প্রশিক্ষণ এবং বিকালে বালক অনূর্ধ্ব-১২, ১৪, ১৭ ও ১৯ দলের নিয়মিত প্রশিক্ষণ হচ্ছে বনগ্রাম আনন্দ কিশোর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে। 

বাধার পাহাড় ঠেলে বনগ্রামের সাবেক ও বর্তমান ৪ ফুটবলার নিজেদের উদ্যোগে একাডেমিটি গড়ে তুলেছেন। এ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলোয়াড় তৈরি করছেন তারা। এসব খেলোয়াড় সাফল্য পাচ্ছে জাতীয় প্রতিযোগিতায়। সংগঠনটি খেলোয়াড় উপহার দিচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে।

ইতোমধ্যেই বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২ জন মেয়ে ও ৬ জন ছেলে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এদের মাঝে সুষ্মিতা খান নুপুর অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলের গোলকিপার, স্বর্ণা আক্তার অনূর্ধ্ব-১৪ বেগম আনোয়ারা স্পোটিং ক্লাব, আব্দুল হালিম

অনূর্ধ্ব-১৮ ঢাকা মোহামেডান ক্লাব, মো. সাকিম মিয়া অনূর্ধ্ব-১৮ ঢাকা মোহামেডান ক্লাব, রহমত উল্লাহ জিসান অনূর্ধ্ব-১৮ বসুন্ধরা কিংস, নাঈম ইসলাম অনূর্ধ্ব-১৮ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, মো.পারভেজ সিটিএফসি, বিকেএসপি ঢাকা ও মো. শাওন অনূর্ধ্ব-১৮ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে খেলছে।

একাডেমিতে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার বর্তমান বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু বয়সভিত্তিক অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টিমের জাতীয় কোচ মো. সাহাব উদ্দিন ও সহকারী কোচের দায়িত্বে রয়েছেন মো. লিটন। এছাড়াও বনগ্রাম ফুটবল একাডেমি সভাপতি সাবেক ফুটবলার মাজহারুল ইসলাম পল্টু, মো. রাসেল, মো. আনোয়ার হোসেন ও আব্দুল কাইয়ুম নিয়মিত মাঠে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। 

বর্তমানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৯ জন ছেলে ফুটবল খেলোয়াড় একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। এদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা হতে ১১ জন মেয়ে এবং ২২ জন ছেলে একাডেমির আবাসিক ব্যবস্থাপনায় থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। অন্যরা এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছে। 

তরুণ ফুটবলার সুষ্মিতা খান নুপুর বলেন, আমি নবম শ্রেণির ছাত্রী। বনগ্রাম ফুটবল একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলের গোলকিপার হিসেবে খেলার সুযোগ পেয়েছি। 

বনগ্রাম ফুটবল একাডেমির সভাপতি ও সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় মাজহারুল ইসলাম পল্টু বলেন, আমরা ২০১৭ সালে একাডেমিটি গঠন করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ছেলেমেয়েরা দেশের সেরা ক্লাবগুলোতে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। খেলোয়াড়দের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন