বিচারহীনতার সঙ্গে আপোসকামিতা বন্ধ করতে হবে
jugantor
বিচারহীনতার সঙ্গে আপোসকামিতা বন্ধ করতে হবে

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

২৪ আগস্ট ২০২০, ২২:৪৫:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিচারহীনতার সংস্কৃতি পরিহার করে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের বিচারহীনতার সঙ্গে আপোসকামিতা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি নারীর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে ‘ইয়াসমীন ট্র্যাজেডি দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী সব ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনকারীদের প্রতিহত এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে দেশে নারী নির্যাতনের বিচারের হার মাত্র ৩ শতাংশ। ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে এ রকম ঘটনায় বিচারের হার মাত্র ৩ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়, নারী নির্যাতনের বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা কতখানি! হয় তাদের সক্ষমতা নেই, না হয় তারা আন্তরিক নয়।

তারা বলেন, এসব ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তারা যেন আন্তরিক হয়, সেই চেষ্টাও করতে হবে। নারী নির্যাতনসহ সব নির্যাতনের ঘটনায় সুরাহা হতে পারে; যখন যারা ওই ঘটনার সুরাহা দেয়ার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হতে হবে। তাই এগুলো যাদের দায়িত্ব তাদেরই আন্তরিকভাবে সব ধরনের অপরাধের বিচার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদিকা রুবিনা আক্তারের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগম। বক্তব্য রাখেন- নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল ইসলাম বাবুল, নাট্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রেজু, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বাদল, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ভৈরবীর পরিচালক রহমত উল্লাহ, প্রগতি লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব শীল, কাব্য কুঞ্জর সাধারণ সম্পাদক শেখ সগির আহমেদ, মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি মাহবুবা খাতুন, মিনতি ঘোষ, প্রশিক্ষণ গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রুবি আফরোজ, অর্থ সম্পাদক রত্না মিত্র, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা পলি, আন্দোলন সম্পাদিকা গৌরী চক্রবর্তী, সদস্য অনামিকা পাণ্ডে, নুরুন্নাহার, রোকসানা বিলকিস, সুকলা কুণ্ডু, নাজমা বেগম, রেহেনা বেগম প্রমুখ।

বিচারহীনতার সঙ্গে আপোসকামিতা বন্ধ করতে হবে

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
২৪ আগস্ট ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিচারহীনতার সংস্কৃতি পরিহার করে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের বিচারহীনতার সঙ্গে আপোসকামিতা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি নারীর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে ‘ইয়াসমীন ট্র্যাজেডি দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী সব ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনকারীদের প্রতিহত এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে দেশে নারী নির্যাতনের বিচারের হার মাত্র ৩ শতাংশ। ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে এ রকম ঘটনায় বিচারের হার মাত্র ৩ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়, নারী নির্যাতনের বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা কতখানি! হয় তাদের সক্ষমতা নেই, না হয় তারা আন্তরিক নয়।

তারা বলেন, এসব ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তারা যেন আন্তরিক হয়, সেই চেষ্টাও করতে হবে। নারী নির্যাতনসহ সব নির্যাতনের ঘটনায় সুরাহা হতে পারে; যখন যারা ওই ঘটনার সুরাহা দেয়ার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হতে হবে। তাই এগুলো যাদের দায়িত্ব তাদেরই আন্তরিকভাবে সব ধরনের অপরাধের বিচার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদিকা রুবিনা আক্তারের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. মারুফা বেগম। বক্তব্য রাখেন- নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল ইসলাম বাবুল, নাট্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রেজু, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বাদল, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ভৈরবীর পরিচালক রহমত উল্লাহ, প্রগতি লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব শীল, কাব্য কুঞ্জর সাধারণ সম্পাদক শেখ সগির আহমেদ, মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি মাহবুবা খাতুন, মিনতি ঘোষ, প্রশিক্ষণ গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রুবি আফরোজ, অর্থ সম্পাদক রত্না মিত্র, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা পলি, আন্দোলন সম্পাদিকা গৌরী চক্রবর্তী, সদস্য অনামিকা পাণ্ডে, নুরুন্নাহার, রোকসানা বিলকিস, সুকলা কুণ্ডু, নাজমা বেগম, রেহেনা বেগম প্রমুখ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন