Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

নড়াইলে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে কোটি টাকার গাছ লোপাট

Advertisement

Icon

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:১৭ পিএম

নড়াইলে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে কোটি টাকার গাছ লোপাট

নড়াইলে-যশোর সড়কের দু’পাশে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে লাগানো গাছ তুলারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বুলবুল আহম্মদ কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Advertisement

নড়াইলে-যশোর সড়কের দু’পাশে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে লাগানো গাছ তুলারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বুলবুল আহম্মদ কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কখনো দিনে কখনো রাতে, কখনো ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে। সর্বক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছেন গাছের প্রকৃত মালিক ও উপকারভোগীরা। স্থানীয় প্রশাসন আর বনবিভাগের যোগসাজসে সড়কের পাশের কোটি টাকার গাছ নামমাত্র মূল্য দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

তুলারামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে তুলারামপুর মাইজপাড়া সড়কের সাড়ে ৫ কিলোমিটার অংশে ১ হাজার গাছ রোপণ করা হয়। এলজিইডি, ইউনিয়ন পরিষদ, কেয়ার বাংলাদেশের পক্ষে গণসাহায্য সংস্থা এবং উপকারভোগীদের নিয়ে একটি চুক্তিনামা করা হয়। ওই চুক্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ ৪০ ভাগ, উপকারভোগী ও জায়গার মালিক ৫০ ভাগ এবং এনজিও পাবে ১০ ভাগ। কিন্তু এনজিও ও উপকারভোগীদের কোনো তথ্য না দিয়ে চেয়ারম্যান গাছ কাটা শুরু করেন।

২২ বছরের প্রতিটি গাছের মূল্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হলেও, বনবিভাগ গড়ে দাম ধরেছে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এ মূল্যে হতবাক গাছ সংরক্ষণকারীরা। এদিকে রাস্তার জমির মালিকানা রাজস্ব বিভাগের বলে দাবি করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাছ কাটা বন্ধ করে দেয়া হয়। চুক্তি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি দাবি জেলা প্রশাসনের।

স্থানীয়রা জানায়, সড়কের পাশে থাকা প্রায় ৫শ’ টি বড় মেহগিনি, কড়ই, শিশু গাছের প্রতিটির মূল্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে। এ হিসাবে ২৫ হাজার টাকা গড় মূল্য ধরলে গাছের দাম পড়ে প্রায় কোটি টাকার মত। অথচ বন বিভাগের সঙ্গে যোগসাজশে ৩৭১টি গাছের মোট দাম ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ৬৩ হাজার। গড়ে প্রতিটির দাম সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান বুলবুল আহম্মেদ বলেন,সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিম বলেন,এলজিইডির একটি চুক্তির ভিত্তিতে বনবিভাগের সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে সভা হয়েছে। কিন্তু জেলা পর্যায়ে সভা হয়নি। তবে চেয়ারম্যান আমাকে না জানিয়েই টেন্ডার করেছেন। এখন ডিসি স্যার যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাই হবে।

নড়াইল বন বিভাগের ফরেস্টার এস কে আব্দুর রশীদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মানুষ বন বিভাগের নাম শুনলেই কেমন করে ওঠে। কিন্তু আমরা যে ধরনের গাছ পেয়েছি সে মূল্য ধরেছি। বাজারের দামের চেয়ে সরকারি মূল্য অনেক কম, তাই কম ধরা হয়েছে।

এ বিষয় জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, অভিযোগ আসার পরে গাছ কাটা বন্ধ রাখা হয়েছে। সড়কের পাশের ওই জায়গা জেলা প্রশাসনের। সুতরাং জমির মালিককে বাদ দিয়ে কোনো চুক্তি হতে পারে না।

Advertisement

গাছ নিধন সড়ক নড়াইল

Advertisement

আরও পড়ুন

ধর্ষণের পর শিশুর হাতে ২০ টাকা ধরিয়ে দিল নরপশু

ধর্ষণের পর শিশুর হাতে ২০ টাকা ধরিয়ে দিল নরপশু

অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাই

অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাই

পিকআপচাপায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের

পিকআপচাপায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের

কোটি টাকার কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ২

কোটি টাকার কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ২

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম