না’গঞ্জ বিএনপির স্মরণকালের বিশাল শোডাউন, উজ্জীবিত কর্মীরা
Advertisement
রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ইস্যুতে বিএনপি ও অঙ্গদলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৫ বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্মরণকালের বিশাল শোডাউন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার সকালে বিশাল মিছিল নিয়ে নগরের চাষাড়া বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দলটির নেতাকর্মীরা। যেখানে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
নগরের নিতাইগঞ্জে নগর ভবনের সামনে থেকে বিএনপির বিজয় দিবসের র্যালিটি শুরু হয়ে চাষাড়া বিজয়স্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, গত বেশ কয়েকদিন যাবৎই এই বিজয় র্যালিকে সফল করতে বিএনপি নেতারা উদ্যোগ নেয়। যোগাযোগ করা হয় মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সঙ্গে। কিন্তু স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বিজয় র্যালিতে নির্বাচন কমিশনরে বিধি নিষেধের কারণে যোগ দিতে পারেননি বলে জানা গেছে। তবে তিনি বিজয়স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রকৃত পক্ষে আসন্ন সিটি নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় পর বিজয় দিবসে বিশাল শোডাউনের আয়োজন চলতে থাকে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, বিজয়ের ৫০তম দিবসে আমরা বড় একটি শোডাউন করবো এমন প্রস্তুতি আগেই ছিল। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে আসন্ন সিটি নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা। এ দুটি বিষয়কে একত্রিত করে বিজয় দিবসের র্যালিটি বিশাল আকার ধারণ করে।
র্যালিতে নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। অংশ নেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আবদুস সবুর সেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিজয়স্তম্ভে না যেতে পারাটা সত্যিই অনেক কষ্টের। তবে যেহেতু সিটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি তাই নির্বাচন কমিশন আগের দিন রাতে আমাকে ফোন করে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে জানিয়ে র্যালিতে অংশ নিতে নিষেধ করে। নির্বাচন কমিশনকে সম্মান জানিয়ে আমি র্যালিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকি। তবে র্যালিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি প্রমাণ করে- নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ঐক্যবদ্ধ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
