Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

ব্যায়াম না করেও যে কৌশলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়

Icon

অধ্যাপক ডা. খাজা নাজিম উদ্দিন

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

ব্যায়াম না করেও যে কৌশলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়

ফাইল ছবি

Advertisement

আমরা অনেকেই মনে করি ওজন ঠিক রাখতে হলে খাবার পরিমাণে কম খেলেই তা যথেষ্ট। তবে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। এমনকি ব্যক্তিভেদে খাবার খাওয়ার পরিমাণও আলাদা হবে। 

আবার যারা ব্যস্ত তারা ব্যায়াম করার সময় পান না। ব্যায়াম না করেও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

একজন মানুষের উচ্চতা যদি ১৬৫ সেন্টিমিটার হয় এবং তার ওজন ৬৫ কেজি হয়, তাহলে নিজের জন্য উপযুক্ত ওজনের কাছাকাছি থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ওজন ধরে রাখার নিয়ম সবার জন্য এক নয়।

একজন রিকশাচালক সারাদিন শারীরিক পরিশ্রম করেন। তার ক্যালোরির চাহিদা একজন ব্যাংক কর্মকর্তার তুলনায় বেশি হতে পারে। অন্যদিকে, ব্যাংকে বসে কাজ করা একজন মানুষের শারীরিক কর্মকাণ্ড কম। তাই দুজনের খাবারের পরিমাণ ও দৈনিক ক্যালোরির চাহিদাও এক হবে না।

মূল বিষয় হলো আপনি যত ক্যালোরি খরচ করছেন, আপনার খাবারের পরিমাণ ও ক্যালোরির ভারসাম্য তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

তবে শুধু ক্যালোরি হিসাব করলেই হবে না। আমাদের খাওয়ার অভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম এবং দৈনন্দিন আচরণ—সবকিছুর দিকে নজর দিতে হবে।

অতিরিক্ত খাওয়া থেকে সতর্ক থাকুন

চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, পার্টি বা কোনো অনুষ্ঠানে গেলে অনেক সময় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই খাবারের সময় নিজের পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

নিয়মিত হাঁটুন ও নড়াচড়া করুন

যারা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন, তাদের নিয়মিত বিরতি নিয়ে উঠে দাঁড়ানো ও হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। প্রয়োজনে প্রতি ৩০ মিনিটে কিছুক্ষণ দাঁড়ানো এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর হাঁটাহাঁটি করা যেতে পারে।

ব্যায়ামের জন্য সবসময় জিমে যেতে হবে বিষয়টি এমন নয়। নিয়মিত হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার করা কিংবা দৈনন্দিন কাজের মধ্যে শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।

অভ্যাস পরিবর্তন করাই আসল চ্যালেঞ্জ

ওজন নিয়ন্ত্রণ একদিনের কাজ নয়। বারবার মনে করিয়ে দেওয়া, নিজের অগ্রগতি দেখা এবং নিয়মিত অনুসরণ করলে ভালো অভ্যাস তৈরি করা সহজ হয়।

ওজনের পাশাপাশি রক্তচাপ ও রক্তের শর্করার দিকেও নজর দিন

নিজের ওজন, রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলা এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার কমানোও উপকারী হতে পারে।

সুস্থ থাকার জন্য বড় কোনো পরিবর্তনের অপেক্ষা নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই তৈরি করতে পারে বড় পরিবর্তন।

লেখক: অধ্যাপক ডা. খাজা নাজিম উদ্দিন

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

কফি নাকি এনার্জি ড্রিংক, হৃদযন্ত্রের জন্য কোনটি কতটা নিরাপদ

কফি নাকি এনার্জি ড্রিংক, হৃদযন্ত্রের জন্য কোনটি কতটা নিরাপদ

পুষ্টিবিদদের জন্য দারুণ সুখবর

পুষ্টিবিদদের জন্য দারুণ সুখবর

শিশুকে কম বয়সে স্মার্টফোন দিলে বাড়বে যেসব ঝুঁকি

শিশুকে কম বয়সে স্মার্টফোন দিলে বাড়বে যেসব ঝুঁকি

ঘামে নষ্ট হচ্ছে জামার সৌন্দর্য, পরিষ্কারের কৌশল জানুন

ঘামে নষ্ট হচ্ছে জামার সৌন্দর্য, পরিষ্কারের কৌশল জানুন

মাত্র ১ মাসে পাঁচ কেজি ওজন কমানোর সহজ পদ্ধতি

মাত্র ১ মাসে পাঁচ কেজি ওজন কমানোর সহজ পদ্ধতি

ক্লান্তি দূর করে দিনভর চাঙা থাকতে খাবেন যেসব খাবার

ক্লান্তি দূর করে দিনভর চাঙা থাকতে খাবেন যেসব খাবার

আরও পড়ুন

ব্যায়াম না করেও যে কৌশলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়

ব্যায়াম না করেও যে কৌশলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানো: ক্র্যাশ ডায়েট নয়, মেনে চলুন পুষ্টিবিদদের এই ৮ পরামর্শ

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানো: ক্র্যাশ ডায়েট নয়, মেনে চলুন পুষ্টিবিদদের এই ৮ পরামর্শ

যে কারণে ৩০ আগেই দ্বিগুণ হতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

যে কারণে ৩০ আগেই দ্বিগুণ হতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

প্রবীণদের সুস্থতায় সঠিক পুষ্টি কেন জরুরি

প্রবীণদের সুস্থতায় সঠিক পুষ্টি কেন জরুরি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম