শিশুর ওজন নিয়ে স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
৯ বছরের কমবয়সী শিশুদের ওজন কমানোর ওষুধ খাওয়ানো বা অস্ত্রোপচারের বিপক্ষে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বিশেষ ক্ষেত্রে ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের কথা বলা হয়েছে।
বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার (হু) এর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে সকল কিশোর এবং কিশোরী অত্যধিক স্থূলতায় ভুগছে, যাদের টাইপ ওয়ান ডায়বিটিস, ইনস্যুলিন রেজিস্ট্যান্স রয়েছে বা অনিয়মিত উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ওজন কমানোর ওষুধ বা অস্ত্রপচার ব্যবহার করা যেতে পারে। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস বা শরীরচর্চার রীতি অনুসরণ করেও সুফল পায়নি যারা, তাদের ক্ষেত্রেও ওজন কমানোর ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের মতো ব্যবস্থার শরণাপন্ন হওয়ার অনুমতি রয়েছে।
যে নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে হু, তাতে ডায়েট, শরীরচর্চা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, ওষুধ, অস্ত্রোপচার এবং জীবনযাপনের পরিবর্তন সংক্রান্ত কর্মসূচির মতো বিদ্যমান তথ্যের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। তথ্য়প্রমাণ পেশ করে বলা হয়েছে- শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সুপরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চার উপর জোর দেওয়া উচিত। তবে নয় বছর বয়স পর্যন্ত গ্যাসট্রিক বাইপাসের মতো অস্ত্রোপচার এবং জিএলপি-১ এর মতো ওষুধ না ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে জিপিএল-১ এর মতো ওষুধের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। কিন্তু হু-এর পুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের ডিরেক্টর লুজ মারিয়া ডি রেগিল জানিয়েছেন, ওই ধরনের ওষুধের কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। এখনও গবেষণা চলছে। তার উপর নজর থাকবে হু-এর। সেই মতো তথ্যপ্রমাণ হাতে পাওয়া গেলে নির্দেশিকাতেও রদবদল ঘটানো হবে। তাই শুধুমাত্র শর্তসাপেক্ষেই ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের অস্ত্রোপচার এবং ওষুধের সুপারিশ করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে সমস্যা যাদের, অন্য পদ্ধতিতে কাজ হয়নি যাদের, তাদের ক্ষেত্রেও অনুমতি রয়েছে ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের।
হঠাৎ এমন নির্দেশিকা প্রসঙ্গে হু জানিয়েছে, ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাঁচ থেকে ১৯ বছর বয়সী প্রায় ১৭ কোটি শিশু এবং কিশোর-কিশোরী স্থূলতায় ভুগছে, এর মধ্যে পাঁচ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ৭ কোটি। ১০ কোটির বয়স ১০ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। ভারতের মতো দেশগুলির কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছেন লুজ।
তিনি জানিয়েছেন, পৃথিবীর সর্বত্র স্থূলতার হার বৃদ্ধি পেলেও, নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশগুলিতে স্থূলতার হার সবচেয়ে বেশি। উচ্চ আয়ের দেশগুলিতে বরং হার কমছে ক্রমশ।
