স্বর্ণের দামে স্বস্তির আভাস, অপেক্ষা নতুন চমকের
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে বেড়েছে। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে। তেলের দাম কমে আসায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রশমিত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্বর্ণের দামে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন বাংলাদেশ সময় ১২টার দিকে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়েছে। এতে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১০ দশমিক ৫১ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগের লেনদেনে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল মূল্যবান এই ধাতুর দাম। গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম ৪ শতাংশ কমে, যা গত জুনের পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক দরপতন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্যও ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।
বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা বলেন, তেলের দাম কমে আসায় স্বর্ণের বাজার কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই ফেডের মুদ্রানীতির সিদ্ধান্ত আসায় এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সীমিত হয়ে পড়তে পারে। সুদের হারের প্রত্যাশা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির ওপর নির্ভর করেই স্বর্ণের দামের গতিপথ নির্ধারিত হবে।
গত সপ্তাহে প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর সোমবার তেলের দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। তবে ইয়েমেনের হুথিদের সৌদি আরবে হামলা অব্যাহত থাকায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি।
বাজারসংশ্লিষ্টরা আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছেন। এর পরদিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচকের (পিসিই) তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা, যা মূল্যস্ফীতি পরিমাপে ফেডের গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
বাজারে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার প্রত্যাশা থাকলেও ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। সুদের হার বাড়লে সাধারণত স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৪ দশমিক ১৯ ডলার হয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০.২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৪৮ দশমিক ৩০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৪৬ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

