Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

কলকাতায় একসঙ্গে চঞ্চল-তাসনিয়া ফারিণ

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৩৩ পিএম

কলকাতায় একসঙ্গে চঞ্চল-তাসনিয়া ফারিণ

তাসনিয়া ফারিণ ও চঞ্চল চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ঢালিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও তাসনিয়া ফারিণকে একসঙ্গে দেখা গেল কলকাতায়। টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের আমন্ত্রণে তারা উপস্থিত ছিলেন ‘স্বার্থপর’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে।  

বর্তমানে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ সিনেমার শুটিং করছেন চঞ্চল চৌধুরী। অন্যদিকে তাসনিয়া ফারিণও রয়েছেন নতুন একটি প্রজেক্টের প্রস্তুতিতে। অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয়েছিল তার। এরই মধ্যে দুজনের কলকাতায় একসঙ্গে উপস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। 

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে হাসিমুখে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, আসলে পুরোটাই কাকতালীয়। আমি জানতাম না ফারিণ এখানে আছে। সেও জানত না আমি এসেছি। তিনি বলেন, আমি টোনিদার (পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী) সঙ্গে মিটিংয়ের জন্য এসেছিলাম, তাসনিয়াও একই কারণে এসেছে। পরে দেখা হয়ে গেল— বেশ মজার এক কাকতালীয় ঘটনা।

এর আগে অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’ সিনেমায় কাজ করেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি সম্পর্কভিত্তিক নানা বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশংসিত সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তাই এবার চঞ্চল–ফারিণকে নিয়ে সিনেমায় দেখা গেলে তা হবে দুই বাংলার দর্শকদের জন্য বড় চমক।

তাহলে কি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এবার একসঙ্গে দেখা যাবে চঞ্চল ও ফারিণকে? এ প্রশ্নে দুজনেই হাসিমুখে বলেন, এখনো কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে কথা চলছে। আশা করি একসঙ্গে কাজ করব।

চঞ্চল বলেন, ‘টোনিদার সঙ্গে আজ আমরা ব্রাঞ্চ (ব্রেকফাস্ট+লাঞ্চ) করেছি, আসলে সবাই দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। তাই ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ দুটোই একসঙ্গে করেছি, নানা বিষয়ে গল্প হয়েছে। তিনিই আমাদের এখানে আসতে বলেছেন, কোয়েলও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এখন ‘স্বার্থপর’ সিনেমাটি দেখার অপেক্ষায় আছি।

এর মধ্যেই টালিউডে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর পরবর্তী সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যেতে পারে বাংলাদেশের এই দুই তারকাকে। যদিও তারা মুখে কিছু বলেননি, তবু অনেকে মনে করছেন— একই পরিচালকের সঙ্গে একসঙ্গে দেখা হওয়া নিছক কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম