আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজ আটকানো হয়নি: মেহজাবীন
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জোর গুঞ্জন চলছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী। জানালেন তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন— সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই। প্রথমত উল্লিখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি।
তিনি বলেন, আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সে রকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনোরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।
অভিনেত্রী বলেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?
ক্ষোভ প্রকাশ করে মেহজাবীন বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
মেহজাবীন লিখেছেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি— এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে, সেই ব্যাপারে আমার কোনোই সংশ্লিষ্টতা নেই।
এর আগে রোববার সকালে এক পোস্টে মেহজাবীন অভিযোগ করেছিলেন যে, গত কিছু দিন ধরে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন তিনি, যদিও পরে আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পান।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল— গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামী আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।

