Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

আগেই আভাস পেয়েছিলাম: কাঞ্চন মল্লিক

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম

আগেই আভাস পেয়েছিলাম: কাঞ্চন মল্লিক

Advertisement

পাঁচ বছর আগে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনে জিতে বিধায়কের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন অভিনেতা। 

বিধায়ক পদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী মে মাসে। সেদিক থেকে কাঞ্চন এখনো উত্তরপাড়ার তৃণমূলের সংসদ সদস্য। কিন্তু আগামী পাঁচ বছরের জন্য কেন সেই কাঞ্চন মল্লিকের ওপর ভরসা রাখতে পারল না দল?—এমন প্রশ্ন মল্লিক ভক্ত-অনুরাগীদের।

যদিও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জল্পনা আগেই ছিল। সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ)। বিধানসভায় টিকিট পেলেন না অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। 

অভিনেতার পরিবর্তে এবার উত্তরপাড়া থেকে তৃণমূল টিকিট পেয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। 

জানা গেছে, স্থানীয় নেতা কাউন্সিলর ক্ষুব্ধ কাঞ্চনের ওপর। বিরোধীরা কটাক্ষ করেন, বিধায়ককে বিধানসভায় দেখা আর ডুমুরের ফুল দেখার মতো সমান। ঠিক সে কারণেই কি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল?

একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্ন করলে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, আমাকে তো আগেই বলা হয়েছিল। আমি আগেই আভাস পেয়েছিলাম। তা ছাড়া আমার সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের কথাও হয়েছে। পুরোপুরি দলীয় সিদ্ধান্ত। পাঁচ বছর বিধায়ক হিসাবে কাজ করেছি। বিধায়ক হিসাবে না থাকলেও দলের কর্মী হিসেবে দিদির পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।

কাঞ্চনের সঙ্গে দলের যে একটা প্রচ্ছন্ন দূরত্ব তৈরি হয়েছে, সেটি বোঝা গিয়েছিল সাম্প্রতিক অতীতের বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনায়। দলীয় অনেক কর্মসূচিতেই সেভাবে দেখা যেত না অভিনেতাকে। ঠিক যেমন অভিযোগ ছিল, নিজের কেন্দ্রেই তাকে দেখতে পাওয়া যায় না। যদিও অভিনেতার দাবি, তাকে উত্তরপাড়ায় ‘দেখা যায় না’— এমন কেউ বা কারা প্রচার করতে চাইছেন। তবে আখেরে লাভ হবে না। 

বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার মানুষের সমস্যা সমাধানে গত চার বছরে বিধায়কের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহাল। বৃষ্টিতে পানি জমার সমস্যা অনেক দিনের। 

কাঁঠালবাগান এলাকায় একটা ‘আন্ডারপাস’ বা ‘ওভারব্রিজ’-এর দাবি নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্যই নাকি কাঞ্চন করেননি। সব দেখেশুনেই কি দল কাঞ্চনকে টিকিট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল? উত্তরটা অবশ্য আড়ালেই থেকে গেল।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম