কাঞ্চনার পিঠখোলা ছবিকে ‘বোল্ড’ বলতে নারাজ' পল্লবী
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
টালিউড অভিনেত্রী পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজায় হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। সেই অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর পোশাক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনা ও ট্রলিংয়ের ঝড় ওঠে।
কারণ সামাজিক মাধ্যমে নিজের এক চরম বোল্ড ও সাহসী ফটোশুট পোস্ট করে তীব্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন কাঞ্চনা মৈত্র। ফোকাসে এসেছিল অভিনেত্রীর অনাবৃত পিঠ। আর তারপরই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে পড়তে হয় ট্রলের মুখে।
এবার কাঞ্চনা মৈত্রকে নিয়ে সেই ট্রলের জবাব দিলেন পল্লবী। তাকে বলতে শোনা যায়— ‘ভীষণ আর্টিস্টিক একটা কাজ এটা। ব্রা দেখা যায়নি। পিঠটা দেখা গেছে শুধু। পুরোটা খুলে ফেললে তো আর সৌন্দর্য থাকে না।’
এটা মোটেও বোল্ড অ্যান্ড বিউটিফুল নয়; এটা শুধুই বিউটিফুল বলে জানান পল্লবী। তিনি বলেন, 'বোল্ড হলে তো ও পুরোটাই খুলে ফেলত। সব দেখালে তো আকর্ষণ থাকে না। না দেখার আকর্ষণটা সবচেয়ে বেশি। ও সেটাই করেছে।’
লক্ষ্মীপূজার দিন শাঁখা-সিঁদুরে দেখা যায় পল্লবী চট্টোপাধ্যায়কে। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে— কার নামে সিঁদুর পরেছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, তিনি শাঁখা-পলা-সিঁদুর পরতে ভালোবাসেন। এর সঙ্গে বিয়ে বা বরের কোনো সম্পর্ক নেই।
পল্লবী বলেন, ‘আমার এই সাজটা ভালো লাগে। আর সিনেমায় যখন এতবার আমরা সিঁদুর পরি, শাঁখা-পলা পরি, ফুলসজ্জার দৃশ্যে অভিনয় করেছি, সে নিয়ে কোনো কথা নেই। তাহলে আমার যেদিনকে ভালোবাসার দিন, সেদিনকে আমার পছন্দের সাজ কেন করব না? বর না হয় না-ই থাকল, আমি তো বধূ হয়ে থাকলাম।’
তিনি বলেন, আমি চিরকালই রেখাজির বড় ফ্যান। তিনিও বিবাহিত নন, তিনিও সিঁদুর পরে থাকেন। তিনি কার জন্য পরেন, কেন পরেন? আমি আমার জন্য পরি।
পল্লবী বলেন, আমার এ সাজটা খুব ভালো লাগে। নিজেকে কমপ্লিট ওম্যান মনে হয়। আর আমি এটায় বিশ্বাসও করি না যে, স্বামী থাকলেই শুধু সিঁদুর পরা যাবে, স্বামী না থাকলে যাবে না। আগে নিজেকে ভালোবাসব, তারপর তো অন্যকে ভালোবাসতে পারব বলেও জানান পল্লবী।
উল্লেখ্য, ‘মোহমায়া’ থিমে সেই ভিডিওটি শুট করেছিলেন কাঞ্চনা। নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন লাল-হলুদ ঢাকাই পারের শাড়ি। মাথায় খোঁপা, তাতে লাল গোলাপের মালা। নাকে নথ, হাতে বাজু ও গহনা, সঙ্গে সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুর ও কপালে লালটিপ। শাড়ির নিচে ছিল না কোনো ব্লাউজ, অনাবৃত ব্যাকলেস লুক। কাঞ্চনার চাহুনি বিশেষ করে বিঁধেছিল সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের হৃদয়ে। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত কটাক্ষের মুখে পড়েন কাঞ্চনা মৈত্র। তাকে ঘিরে পরে ‘ভীমরতি’-র মতো মন্তব্যও হয়।

