Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু: ঋতুপর্ণা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু: ঋতুপর্ণা

টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের পর্দায় উপস্থিতি মানেই ভিন্ন কিছু। এবার একদমই ভিন্ন ধাঁচের একটি সামাজিক ও নিষিদ্ধ গল্পের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। সিনেমার নাম ‘নেভার মাইন্ড’। আর এ সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবার পরিচালকের আসনে বসলেন ঋতুপর্ণার দীর্ঘদিনের বান্ধবী ও অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল।

বছর দুয়েক আগে টালিপাড়ায় গুঞ্জন উঠেছিল— চৈতির পরিচালনায় ডেবিউ সিনেমায় বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে প্রকাশ্যে এলো সিনেমার প্রচার ঝলক।

এ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন নারীকে কেন্দ্র করে। কলকাতার বুকে বাস করা এমন কিছু মানুষকে নিয়ে এ সিনেমার গল্প

যাদের পেশা, জীবনবোধ ও দর্শন একে অপরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। যিনি নিজের অতীতের একটি বিশেষ অধ্যায় বা বিষয় খুঁজতে খুঁজতে কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটের একটি বারে এসে পৌঁছান। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক অল্প বয়সি বার সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। 

পার্ক স্ট্রিটের চেনা প্রেক্ষাপটকে একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে ও নতুনরূপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। একই সঙ্গে সিনেমাটিতে একটি মানবিক বার্তাও থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

‘নেভার মাইন্ড’ সিনেমার মূল গল্প লিখেছেন সম্রাট। এর চিত্রনাট্য তৈরিতে সম্রাটের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন মিতালি ঘোষাল রুদ্র। ক্যামেরার দায়িত্বে ছিলেন গোপী ভগৎ। আর সিনেমাটির গান ও আবহ সংগীতের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন জনপ্রিয় রকস্টার রূপম ইসলাম।

সামাজিক মাধ্যমে পোস্টার শেয়ার করে ক্যাপশনে ঋতুপর্ণা লিখেছেন— কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে ‘নেভার মাইন্ড’। 

এ সিনেমার আরেকটি বড় চমক হচ্ছে— পরিচালক চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায় এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন। অবশ্য বড়পর্দায় অমর্ত্যের এটি প্রথম কাজ নয়, এর আগেও তাকে অভিনয়ে দেখা গেছে। তবে এবারই প্রথম মায়ের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন অমর্ত্য। আর মা-ছেলের এই নতুন সিনে-সফরের অন্যতম প্রধান সারথি হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম