মাসের পর মাস বাইরে থাকলেও আমাকে এ নিয়ে সে প্রশ্ন করেনি: শ্রেয়া ঘোষাল
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সংগীতজীবনের ব্যস্ততা আর সংসার—দুই দিক একসঙ্গে সামলাতে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আগেও একাধিকবার জানিয়েছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। এবার স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন, সংসারের দায়িত্ব ভাগাভাগি ও পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা। একই সঙ্গে শিলাদিত্যকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতের একটি অনুষ্ঠানে শ্রেয়া জানান, সংসারের নানা কাজ স্বামী নিজ দায়িত্বেই করে থাকেন। নিজের ব্যবহৃত বাসন নিজেই পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে রান্নাঘর গুছিয়ে রাখার কাজও করেন শিলাদিত্য। শ্রেয়া নিজে এসব করতে গেলে বরং তিনি বিরক্ত হন বলেও জানান গায়িকা।
শ্রেয়ার ভাষ্য, দুজনেরই পেশাগত ব্যস্ততা রয়েছে। তাই দিনের শেষে ঘরের কাজও তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। একে অপরকে সবসময় বাড়িতে থাকার জন্য চাপও দেন না তারা।
কাজের প্রয়োজনে কখনো মাসের পর মাস বাইরে থাকতে হলেও শিলাদিত্য তাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেননি বলে জানান শ্রেয়া। বরং সম্পর্কের শুরু থেকেই স্বামীর কাছ থেকে বিশ্বাস ও নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছেন তিনি।
দাম্পত্য সম্পর্কের প্রসঙ্গে শ্রেয়া জানান, তাদের সম্পর্কে অহংবোধের জায়গা নেই। চিন্তাভাবনার দিক থেকেও দুজনের মধ্যে বেশ মিল রয়েছে। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরাও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের জীবনযাপন অনেকটাই নিরিবিলি হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সন্তানরাই তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শ্রেয়া ও শিলাদিত্যের পরিচয় স্কুলজীবন থেকেই। তখন তারা ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। পরবর্তী সময়ে শ্রেয়ার সংগীতজীবন যখন দ্রুত এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন সেই বন্ধুত্বই রূপ নেয় প্রেমের সম্পর্কে। একই সময়ে প্রযুক্তি খাতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছিলেন শিলাদিত্য।
দীর্ঘ ১০ বছর নিজেদের সম্পর্কের কথা গণমাধ্যমের আড়ালে রেখেছিলেন তারা। এরপর ২০১৫ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রেয়া ও শিলাদিত্য। ২০২১ সালে তাদের সংসারে আসে ছেলে দেবযান।
বর্তমানে সন্তান ও সংগীতজীবন—দুই দিকই সামলে এগিয়ে চলেছেন শ্রেয়া ঘোষাল। ব্যস্ততার মধ্যেও সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া এবং সবসময় পাশে থাকা স্বামী শিলাদিত্যকে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে করেন এই গায়িকা।

