Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

দেড় কোটি রুপির সেই আংটির নেপথ্যের গল্প সামনে আনলেন সামান্থা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

দেড় কোটি রুপির সেই আংটির নেপথ্যের গল্প সামনে আনলেন সামান্থা

ফাইল ছবি

Advertisement

স্বামী রাজ নিদিমোরুর দেওয়া আংটিটি পছন্দ করেছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার মুহূর্ত পর্যন্ত এর ডিজাইনটি তার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল বলে জানান দক্ষিণী এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারকে ঘিরে বেশ চর্চা হচ্ছে। তিনি বলেন, আংটির নকশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। এমনকি রাজ বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার আগে তিনি আংটিটি কখনও দেখেনও নি।

আংটিটি কীভাবে পছন্দ করা হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট জানান, তার স্বামী নিজেই পুরো বিষয়টি সামলেছিলেন।

তিনি বলেন, সত্যি বলতে, এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। আংটিটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার কোনো ভূমিকাই ছিল না। সবটাই রাজের করা। এ ব্যাপারে আপনার তাকেই জিজ্ঞেস করতে হবে। সামান্থা আরও জানান, রাজ যখন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, ঠিক তখনই তিনি প্রথমবার আংটিটি দেখেছিলেন।

আংটিটির পেছনে একটি আকর্ষণীয় গল্প রয়েছে। সামান্থা জানিয়েছেন, গ্রিসে কর্মরত এক গয়না ডিজাইনার এটি তৈরি করেছেন।

পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায় এই ডিজাইনারের নাম থিওডোরোস সাভোপুলোস। এথেন্স ভিত্তিক এই গয়নার ডিজাইনার অনন্য সব গয়না তৈরির জন্য পরিচিত হলেও স্পটলাইট থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করেন। 

সাভোপুলোস সামান্থার আংটি পরা একটি ছবিও পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, সামান্থা ও রাজের এই বিশেষ মুহূর্তটি উদযাপন করতে পেরে আমি গর্বিত। তাদের সম্পর্কের স্বচ্ছতার মতোই নির্মল ও উজ্জ্বল হীরা দিয়ে তৈরি এই আংটিটি তাদের সম্পর্কে চিরস্থায়ী আলোর আশীর্বাদ বয়ে আনুক এই কামনাই করি।

আংটিটির নকশাও সবার নজর কেড়েছে। ভারতের প্রখ্যাত সেলিব্রিটি জুয়েলারি বিশেষজ্ঞ প্রিয়াংশী গোয়েল জানিয়েছেন যে, রাজ যে হীরা বসানো আংটিটি দিয়ে সামান্থাকে প্রস্তাব দিয়েছেন, সেটি লজেন্স-কাট ডিজাইনের এবং এর মূল্য প্রায় ১.৫ কোটি টাকা হতে পারে।

আংটিটিতে পোর্ট্রেট-কাট হীরা দিয়ে তৈরি আটটি পাপড়ি রয়েছে। ভারতীয় গয়নার ইতিহাসের সঙ্গে পোর্ট্রেট-কাট হীরার বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে এবং মুঘল আমলে এ ধরনের হীরার বেশ প্রচলন ছিল। এই শৈলীটি বেশ বিরল হিসেবেও বিবেচিত হয়, কারণ খুব কম সংখ্যক কারিগরই এ ধরনের নকশা নিয়ে কাজ করার জন্য পরিচিত।

২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর সামান্থা ও রাজ একটি মন্দিরে ঘরোয়া আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নবদম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেছেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম