Logo
Logo
×

Advertisement

বিনোদন

ঘর ভাঙল দিয়া মির্জার

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০১৯, ১০:২১ এএম

ঘর ভাঙল দিয়া মির্জার

স্বামী সাহিলের সঙ্গে দিয়া মির্জার এই ছবি এখন শুধুই স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পর তাকেই বলা হতো বলিউডের সবচেয়ে সম্ভাবনাময়ী নায়িকা। মোহনীয় চেহারা ও গ্লামারের মাদকতা দিয়ে অল্প সময়েই মন জয় করেছিলেন অনেকের। অভিনয়গুণে তাকে বলা হয় বলিউডের নতুন ঐশ্বরিয়া। 

দেখতেও অনেকটাই বিশ্বসুন্দরীর মতোই তিনি। হাসলে গালে টোল পড়ে। চোখগুলোও সাগরের মতো নীলাভ। রূপ আর গুণের রোশনাই ছড়িয়ে বিটাউনে যাত্রা শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা।

কিন্তু নামের প্রতি খুব যে সুবিচার করতে পেরেছেন সেটি বলা যাবে না। মেধার বিচ্ছুরণ বেশি দিন ধরে রাখতে পারেননি। ক্যারিয়ারে সাফল্যের ফুল তেমন করে না ফুটলেও বিয়ের ফুল বেশ ঘটা করেই ফুটিয়েছিলেন। যৌবনের উন্মাদনায় ও অজানা এক মোহে পড়ে দ্রুতেই ঘর বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন।

‘লাভ ব্রেক আপ জিন্দেগি’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে পরিচালক ও ব্যবসায়ী সাহিল সাঙ্গার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে যায়। চুটিয়ে প্রেম করার পর বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর বলিউডে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। কিন্তু সেই সংসার টিকিয়ে রাখতে পারেননি তারা। পাঁচ বছর এক ছাদের নিচে থাকার পর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন। 

দিয়া মির্জা ও সাহিল সংঘ বিয়ে করেন ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর। তারা বিয়ের আগে ও পরে ১১ বছর ধরে একে অপরকে চিনতেন, ভালোবাসতেন। বিয়ের আগে দিয়া আর সাহিল একই ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। বিয়ের পাঁচ বছর পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে পরস্পর থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন দিয়া মির্জা। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে দিয়া লেখেন- ‘১১ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। এখন আমরা নিজেরাই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি আরও লিখেছেন- ‘আমরা একে অপরের বন্ধু হয়ে থাকব। আর যখন প্রয়োজন হবে, আমরা পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়াব। আমাদের পথ আলাদা হলেও আমরা একে অপরকে সবকিছু জানাব।’

এতদিন সাহিল ও তার পাশে থাকার জন্য দিয়া তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেননি। তিনি লিখেছেন- ‘আমি আমার পরিবার আর বন্ধুদের কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ তারা আমাদের ভাবনাকে অনুভব করেছেন। আমাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। আমরা এ ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য বা কথা বলতে চাই না। ধন্যবাদ।’

বিচ্ছেদ নিয়ে আপাতত আর কোনো কথা বলতে নারাজ দিয়া, ‘আমরা আমাদের পরিবার ও আমাদের বন্ধুদের সমস্ত ভালোবাসা এবং বোঝার জন্য ও মিডিয়া সদস্যদের অব্যাহত সহায়তার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। এ মুহূর্তে আমাদের গোপনীয়তার প্রয়োজনীয়তার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করব না।’

এই সুদর্শনী ২০০১ সালে ‘রেহেনা হে তেরে দিলমে’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন। শুরুর দিকে খুব একটা সাফল্য ধরা দেয়নি তার। বহুদিন পর ‘লাভ ব্রেক আপ জিন্দেগি’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন। এর পরই ছবির পরিচালক সাহিলকে জীবনসঙ্গী হিসেবে খুঁজে নেন গ্লামার কুইন দিয়া।

দিয়া মির্জা ‘সঞ্জু’ ছবিতে অভিনয় করে সাড়া ফেলেন। দিয়া ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ ছবিটি এখনও দর্শকদের মুখে মুখে। এ ছাড়া তার অভিনীত ‘লাগে রহো মুন্নাভাই’ ও ‘তুম কো না ভুল পায়েঙ্গে’ ছবিটিও তাকে খ্যাতি এনে দিয়েছে।

Advertisement

বিবাহ বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ ঘর ভাঙল দিয়া মির্জা

Advertisement

আরও পড়ুন

অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

‘বাপ তো বাপই’ বাবার জন্মদিনে সালমান

‘বাপ তো বাপই’ বাবার জন্মদিনে সালমান

স্ত্রীকে প্রশংসায় ভাসিয়ে যা বললেন বিজয়

স্ত্রীকে প্রশংসায় ভাসিয়ে যা বললেন বিজয়

একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত: মেহজাবীন

একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত: মেহজাবীন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম