Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

দর্শক আগ্রহের শীর্ষে বছর শেষে প্রচারিত ইত্যাদির ফেনী পর্ব

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:০৩ পিএম

দর্শক আগ্রহের শীর্ষে বছর শেষে প্রচারিত ইত্যাদির ফেনী পর্ব

Advertisement

গত ৩০ ডিসেম্বর প্রচার হলো দর্শকপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এ পর্বটি ধারণ করা হয়েছিল ফেনীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে। 

বরেণ্য নির্মাতা হানিফ সংকেত অনুষ্ঠানের শুরুতে জানালেন, ইত্যাদি এ বছর ৩৫-এ পা দিয়েছে। এই সাড়ে তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় একটি অনুষ্ঠান এখনো দর্শকদের কাছে সমান প্রিয়। প্রতিটি ইত্যাদির ইউটিউব ট্রেন্ডিং সেটাই প্রমাণ করে। 

দেশীয় সংস্কৃতি লালনের জন্য, যাবতীয় অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকার জন্য, মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য, যা কিছু ভালো তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য, আর যা কিছু খারাপ তা বর্জনের জন্য এবং ইত্যাদির দায়বোধের জন্য এ অনুষ্ঠানটি আজো সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয়। কোনটা ঠিক, কোনটা ঠিক নয়, কোনটা উচিত, কোনটা উচিত নয়-এসব সম্পর্কে ইত্যাদি দর্শকদের সচেতন করে। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল এ পর্বে প্রচারিত মায়ের হাতে তৈরি শীতের পিঠা ও যান্ত্রিক পিঠার নাটিকাটিতে।


অজ্ঞান পার্টির হাত থেকে বাঁচতে হলে কী করতে হবে, আজকাল নেতা এবং চামচাদের তোষামোদপ্রিয়তা ও এর খারাপ দিক, বিভিন্ন স্থানে দালালদের কর্মতৎপরতা ও তাদের হাত থেকে বাঁচার উপায়, মোবাইল ফোনের ভয়াবহ সংক্রমণ ও আমাদের করণীয়, ইউটিউব কন্টেন্টের ক্ষতিকর দিক, ইউটিউবে ব্যবসা বনাম কর্তব্য, অসহনশীল মানুষ ও তার পরিনাম ইত্যাদি বিষয়ে নির্মিত নাটিকাগুলো ছিল যেমন উপভোগ্য তেমনি বক্তব্যধর্মী। ভালো লেগেছে ফেনীর নৃত্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে ফেনীকে নিয়ে করা বর্ণাঢ্য সংগীত। চমৎকার কথা ও সুরে অসাধারণ গেয়েছেন ইত্যাদিখ্যাত শিল্পী পান্থ কানাই ও ডলি সায়ন্তনী।

ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন দর্শক পর্বে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শক নির্বাচন ছিল শিক্ষণীয়। আর দ্বিতীয় পর্বে নব্বই দশকের জনপ্রিয় শিল্পী ও ফেনীর কন্যা শমী কায়সারের সঙ্গে হানিফ সংকেতের সমকালীন টিভি নায়িকা ও টিভি নাটক নিয়ে কথোপকথন ছিল এ সময়ের শিল্পী, গল্পকারদের জন্য শিক্ষণীয়। গনির বাজারের অখ্যাত, দরিদ্র গনি মিয়াকে তার নামে করা বাজারে দোকান করার ব্যবস্থা করে দিল ইত্যাদি। এ জন্য হানিফ সংকেত ও কেয়া কসমেটিকস ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

সাইকেলে চড়ে মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক রফিকুল হাসানকে নিয়ে করা প্রতিবেদনটি পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে সচেতন করবে। ভালো লেগেছে সীমান্ত পিলারের এ পাশ ওপাশে বসবাসকারী দুই দেশের নাগরিকদের আত্মীয়তার সুদৃঢ় বন্ধন। প্রতিবেদনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। বিশ্বসেরা ক্লিনিক মেয়ো ক্লিনিকের প্রতিবেদনটিও ছিল বেশ শিক্ষণীয়। নানি-নাতি পর্বে নাতি যথার্থই বলেছে, নানা রূপের, নানা আচরণের মানুষ রয়েছে, যাদের অনেকেই অমানুষ। সেখান থেকে সত্যিকারের মানুষ খুঁজে বের করা বেশ কঠিনই।

সবশেষে মঞ্জিলা আক্তার মিমির ওপর করা প্রতিবেদনটি ছিল বেশ হৃদয়ছোঁয়া ও অনুপ্রেরণামূলক। প্রচারবিমুখ মঞ্জিলা আক্তারের কর্মকাণ্ড আমাদের অনেকেরই চোখ খুলে দেবে। আর এখানেই ইত্যাদির সার্থকতা।
 

Advertisement

ইত্যাদি

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম