স্পেনে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী পালিত
jugantor
স্পেনে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

  বকুল খান ও কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে  

০৬ আগস্ট ২০২০, ২১:১৫:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় পালন করেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিকালে দূতাবাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব তাহসিনা আফরিন শারমিনের সঞ্চালনায় শেখ কামালের কর্মময় জীবন সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার। অনুষ্ঠানে ‘শেখ কামাল’ স্বাধীন বাংলার সমাজ পরিবর্তনের হারিয়ে যাওয়া নায়ক শীর্ষক পাঠ ও বক্তব্য দেন মিশন উপপ্রধান হারুন আল রশিদ, প্রথম সচিব (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলাম, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর রেদোয়ান আহমেদ।

রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, শহীদ শেখ কামাল বাংলাদেশের এক অনন্য ক্রীড়া সংগঠক; যিনি আবাহনী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছিলেন।

দূরদর্শিতা আর আধুনিকতার অপূর্ব সমন্বয়ে ফুটবলে তিনি রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন গোটা উপমহাদেশে। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটার ও স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক। সংস্কৃতিমনা এই মানুষটি ছায়ানটে সেতার বাজাতেন, গান গাইতেন, ক্রিকেট খেলতেন। তিনি ছিলেন সৃজনশীল, সৃষ্টিশীল, অসাধারণ মানুষ।

তারুণ্যের প্রতীক শেখ কামাল বেঁচে থাকলে হয়তো বর্তমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতেন, গড়ে তুলতেন আধুনিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ খন্দকার আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুসহ পুরো পরিবারের সঙ্গে শেখ কামালকেও আমরা হারিয়েছি। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষে একজন ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়াবিদ, সংস্কৃতিমনা প্রচণ্ড সম্ভাবনাময় মানুষকে হারিয়েছে। রাষ্ট্রদূত শেখ কামালের দূরদর্শিতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অতুলনীয় অবদান, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং তার স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার নানা বিষয় তুলে ধরে ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করেন।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি কর্তৃক বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার শেখ কামালের কর্মজীবন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়।

শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ১৫ আগস্টে ভয়াল কালরাতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

স্পেনে শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

 বকুল খান ও কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে 
০৬ আগস্ট ২০২০, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় পালন করেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিকালে দূতাবাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব তাহসিনা আফরিন শারমিনের সঞ্চালনায় শেখ কামালের কর্মময় জীবন সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার। অনুষ্ঠানে ‘শেখ কামাল’ স্বাধীন বাংলার সমাজ পরিবর্তনের হারিয়ে যাওয়া নায়ক শীর্ষক পাঠ ও বক্তব্য দেন মিশন উপপ্রধান হারুন আল রশিদ, প্রথম সচিব (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলাম, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর রেদোয়ান আহমেদ।

রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, শহীদ শেখ কামাল বাংলাদেশের এক অনন্য ক্রীড়া সংগঠক; যিনি আবাহনী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছিলেন।

দূরদর্শিতা আর আধুনিকতার অপূর্ব সমন্বয়ে ফুটবলে তিনি রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন গোটা উপমহাদেশে। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটার ও স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক। সংস্কৃতিমনা এই মানুষটি ছায়ানটে সেতার বাজাতেন, গান গাইতেন, ক্রিকেট খেলতেন। তিনি ছিলেন সৃজনশীল, সৃষ্টিশীল, অসাধারণ মানুষ।

তারুণ্যের প্রতীক শেখ কামাল বেঁচে থাকলে হয়তো বর্তমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতেন, গড়ে তুলতেন আধুনিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ খন্দকার আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুসহ পুরো পরিবারের সঙ্গে শেখ কামালকেও আমরা হারিয়েছি। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষে একজন ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়াবিদ, সংস্কৃতিমনা প্রচণ্ড সম্ভাবনাময় মানুষকে হারিয়েছে। রাষ্ট্রদূত শেখ কামালের দূরদর্শিতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অতুলনীয় অবদান, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং তার স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার নানা বিষয় তুলে ধরে ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করেন।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি কর্তৃক বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার শেখ কামালের কর্মজীবন, ত্যাগ ও সংগ্রামের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়।

শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ১৫ আগস্টে ভয়াল কালরাতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 
আরও খবর