বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর
Advertisement
বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল কাস্টম হাউসের ইছামতি সম্মেলন কক্ষে আমদানি-রপ্তানি বিষয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার ফাইজুর রহমান।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যশোর, মাগুরা ও নড়াইল জেলার দায়িত্ব পাওয়ার পর বেনাপোলের কার্যক্রম ও সীমাবদ্ধতা দেখতে তিনি এসেছেন। ব্যবসায়ী ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যশোরের এই বেনাপোলটা হচ্ছে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ একটা স্থলবন্দর এবং এখানে সরকারি রাজস্ব একটা বড় ভূমিকা রাখছে। দুইপক্ষের কথা শুনে আমরা হয়তো একটা চেষ্টা করব যে একটা সমাধানে আসার জন্য।
তিনি আরও বলেন, বেনাপোল থেকে বেশি রাজস্ব আদায় হলে জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। দেশের প্রতিটি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা নিয়ে সরকার টু সরকার পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই বছর আগে কেন করেছে, কী হয়েছে সেগুলো আমাদের জানতে হবে। তারপর আমরা চেষ্টা করব এই প্রতিবন্ধকতাকে দূর করার জন্য, যাতে এই বন্দরের সক্ষমতা বাড়ে এবং এখানে যারা ব্যবসায়ী আছেন তারাও যেন উপকৃত হন।
সভায় সাবেরা নাজমুল মুন্নী এমপি, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, আবুল হাসান জহির, নুরুজ্জামান লিটন, আবু তাহের ভারত, খায়রুজ্জামান মধু, ইমদাদুল হক ইমদা, প্রেস ক্লাব বেনাপোলের সভাপতি মহাসিন মিলনসহ ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ‘চলো করি বৃক্ষরোপণ, গড়ে তুলি সবুজ ভুবন’ স্লোগানে বেনাপোল পৌর বিএনপির ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিদর্শন ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শেখ ফরিদুল ইসলাম। কর্মসূচির আওতায় তিন মাসে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, ভেষজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
