অডিটে বেরিয়ে এলো মালা খানের থলের বিড়াল
Advertisement
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
মালা খান। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যথেষ্ট অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও এবং নামের পাশে জালিয়াতির মাধ্যমে যুক্ত করা ‘পিএইচডি’ ডিগ্রি নিয়েই বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসের (বিআরআইসিএম) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন মালা খান। আদালতের বারান্দায় তার ওই নিয়োগের বৈধতা নিয়ে আইনি লড়াই ঝুলে রয়েছে প্রায় আট বছর ধরে। এর মাঝেই এবার সরাসরি এ বিষয়ে তীব্র আপত্তি তুলল খোদ অডিট অধিদপ্তর।
পরবর্তীতে জানা যায়, যে প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি পিএইচডি করেছেন, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত নয়। এরপর তার আবেদন পুনর্বহাল করা হলে ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট বিসিএসআইআরের ডিপিসি-১ তাকে তৎকালীন ডিআরআইসিএমের (বর্তমান বিআরআইসিএম) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে সুপারিশ করে। তবে বিসিএসআইআর বোর্ডের ২৮৬তম সভায় এই সুপারিশ নাকচ করে দেওয়া হয়।
বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন মালা খান এবং পক্ষে রায় পান। পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে সরকার। ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করে দেন। কিন্তু আট বছর পার হলেও আপিল বিভাগে মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।
বিআরআইসিএম সূত্র জানায়, ২০২২ সালে একটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে মালা খানকে দ্বিতীয়বার বরখাস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু রিট পিটিশনের মাধ্যমে সেই আদেশের ওপরও স্থগিতাদেশ বাগিয়ে নেন তিনি।




