ইয়াবাসহ গ্রেফতার
মাদক ধ্বংস শাখার পুলিশ সদস্য ৩ দিনের রিমান্ডে
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় মাদক ধ্বংস শাখার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য মো. রেজাউল করিমের (৪৫) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন কুমার চ্যাটার্জি আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তিন দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, গ্রেফতার আসামি মো. রেজাউল করিম একজন পুলিশ সদস্য এবং বর্তমানে তিনি সিএমএম কোর্টের মালখানা শাখায় কর্মরত রয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ লাভের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন থেকে বিক্রি করে আসছে। মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে এই মামলার সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে তিনি ইয়াবা ট্যাবলেটগুলোর মূল সরবরাহকারী ও গন্তব্য সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রদান করেননি। ফলে ইয়াবার মূল উৎস, এর পেছনে জড়িত চক্র এবং মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে আসামিকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, রেজাউল করিমকে রাজধানীর সূত্রাপুর থানা এলাকা থেকে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ডিএমপির পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান আজ বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিআইডি ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণের একটি বিশেষ অভিযানকারী দল গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সূত্রাপুর থানাধীন ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ‘বিসমিল্লাহ বিরানি ঘর’ নামের দোকানের ভেতর অভিযান চালায়। সেখান থেকে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে আসামিকে আটক করা হয়। পরে আটক রেজাউল করিমের দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ১৭৯ গ্রাম ওজনের মোট ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার অবৈধ আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। এছাড়া তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১টি ভিভো স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

