গোলরক্ষকের বয়কট, খেলোয়াড়দের ‘অনিচ্ছার’ ম্যাচে ইসরাইলকে উড়িয়ে দিল আয়ারল্যান্ড
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নেশনস লিগে ইসরাইলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ড। রোববারের এই ম্যাচের পরিবেশ ছিল থমথমে ও বিষণ্ণ। গাজার যুদ্ধের প্রতিবাদে আইরিশ খেলোয়াড়রা হাতে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন।
হাঙ্গেরির দেব্রেৎসেনের স্টেডিয়ামে প্রায় কোনো দর্শক ছিল না। ইসরাইলের জাতীয় সংগীত বাজার সময় আইরিশ খেলোয়াড়রা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ম্যাচের আগে দুই দল হাত মেলায়নি। পতাকাও বিনিময় করেনি।
১৪ মিনিটে ট্রয় প্যারট প্রথম গোল করেন। গোলের পর তিনি দুই হাত দিয়ে হৃদয়ের চিহ্ন দেখান। ২৫ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন জ্যাক মইলান। গোলের পর তিনি জার্সির আইরিশ প্রতীকে এবং কালো আর্মব্যান্ডে চুমু খান।
এই ম্যাচে ইসরাইল ছিল নামমাত্র স্বাগতিক। সপ্তাহের শুরুতে ম্যাচটি হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। দেশের ভেতর থেকে বয়কটের চাপ ছিল। তবু আইরিশ খেলোয়াড়রা ভোটে বিপুল ব্যবধানে ম্যাচটি খেলার পক্ষে মত দেন।
শুধু গোলরক্ষক গ্যাভিন বুজুনু দল থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি বলেন, এই ম্যাচে বা ৪ অক্টোবর সার্বিয়ায় হতে যাওয়া ফিরতি ম্যাচে খেলা ‘ভুল হবে’। কারণ হিসেবে তিনি ‘নিরীহ মানুষের হত্যার’ কথা বলেন। এই ম্যাচে নিয়মিত এই গোলরক্ষক নিয়ে খেলেনি আয়ারল্যান্ড। পরে তার বদলে এই ম্যাচে খেলেন কাওইমিন কেলহার।
আইরিশ ফুটবল ফেডারেশন ভক্তদের জন্য কোনো টিকিট সংরক্ষণ করেনি। সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিই কোনো ধারাভাষ্য ছাড়াই ম্যাচটি দেখানোর কথা ছিল।
আয়ারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়ে আসছে। দেশটির নিজের ওপর ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসের সঙ্গে এই সহানুভূতির যোগ আছে বলে মনে করা হয়। ২০২৪ সালে স্পেন ও নরওয়ের সঙ্গে ডাবলিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। গাজার সংঘাত নিয়ে দেশটি বারবার ইসরাইলের সমালোচনা করেছে।
ইসরাইল জোরালোভাবে অস্বীকার করে বলেছে, গাজায় তাদের আচরণ গণহত্যার সমান নয়। যদিও দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচের কথা এ কথার বিপক্ষেই সাক্ষ্য দিচ্ছে।
