বেটিং তদন্তে নতুন মোড়, রিজওয়ানের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের বিরুদ্ধে জাতীয় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) চলমান তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। পাকিস্তানের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ানকে মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করানোর জন্য বারবার ডাকা হলেও তিনি তাতে সাড়া দিচ্ছেন না। একই তদন্তে পাকিস্তানের আরেক ব্যাটার ইমাম-উল-হকও রয়েছেন।
এনসিসিআইএর সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে তাকে সংস্থার কার্যালয়ে এসে মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণের সময় উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এতে ফোনের কোনো তথ্য যাতে হারিয়ে না যায়, সেটিই নিশ্চিত করতে চায় সংস্থাটি। তবে রিজওয়ান হয় ফোন ধরছেন না, অথবা তার আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
রিজওয়ান কার্যালয়ে আসতে না পারলে তার বাসায় গিয়ে ফোনের পরীক্ষা করার প্রস্তাবও দিয়েছিল এনসিসিআইএ। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও এখন পর্যন্ত তার কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।
এনসিসিআইএর এক কর্মকর্তা বলেন, তদন্তে রিজওয়ান সহযোগিতা করছেন না। দ্রুত তদন্ত শেষ করতে চায় সংস্থাটি। এ বিষয়ে লাহোর হাইকোর্ট থেকেও দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
তবে তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অ্যান্টি-করাপশন কোডের বাইরে গিয়ে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। পাশাপাশি এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইসিসির সঙ্গে কোনো যোগাযোগও করা হয়নি।
এনসিসিআইএর সূত্র আরও জানিয়েছে, কিছু সন্দেহের বিষয় পরিষ্কার করতেই তদন্ত চলছে। আইনগতভাবে এই মুহূর্তে রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হক কাউকেই কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। তদন্তে কোনো প্রমাণ না মিললে তাদের দ্রুতই দায়মুক্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট শেষ হওয়ার পর রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক ও সালমান আলী আগাকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দেশে ফেরার পর নিরাপত্তাকর্মীদের হেফাজতে থাকা তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে রিজওয়ান ও ইমামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে এনসিসিআইএ।
চলতি মাসের শুরুতে দুজনই সংস্থাটির সামনে হাজির হয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। এরপর অবশ্য তদন্তে আর তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। এরই মধ্যে রিজওয়ান একজন আইনজীবী নিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ান দ্রুত এনসিসিআইএর ডাকে সাড়া না দিলে সংস্থাটি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। সেই ক্ষেত্রে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির হওয়ার নোটিশও দেওয়া হতে পারে।
তদন্ত শুরুর সময় ফাস হওয়া এনসিসিআইএর একটি নথিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, বিভিন্ন জুয়া ও বেটিং ওয়েবসাইটে কথিত বেটিং কার্যক্রমের অভিযোগ খতিয়ে দেখছিল সংস্থাটি।
সূত্র: এনডিটিভি

