Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

উপসাগরীয় দেশগুলোতে ‘শত্রুঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ইরানের পালটা হামলা

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ এএম

উপসাগরীয় দেশগুলোতে ‘শত্রুঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ইরানের পালটা হামলা

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।  দেশটির সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থিত ‘শত্রুঘাঁটি’ লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে সোমবার (১৩ জুলাই) আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

এক সামরিক কর্মকর্তার বরাতে নুর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় শত্রুপক্ষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের পর এসব লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।

কুয়েতের দুটি বিমানঘাঁটিতে হামলা

আইআরজিসি দাবি করেছে, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির একটি গুরুত্বপূর্ণ এফপিএস রাডার ব্যবস্থাও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাবে তাদের মহাকাশ বাহিনী ‘চোখের বদলে চোখ’ অভিযানের তৃতীয় ধাপে এই হামলা চালিয়েছে।  অভিযান এখনও চলমান রয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে।


এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে আইআরজিসি বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখতে ইরান দেবে না।

বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটিতে হামলা

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, প্রতিশোধমূলক অভিযানের দ্বিতীয় ধাপে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

তাদের দাবি অনুযায়ী, হামলায় হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ নজরদারি বিমান রাখা হ্যাঙ্গার এবং মার্কিন ড্রোনের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে হামলা

আইআরজিসি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।  ফলে কয়েকটি জ্বালানি ডিপো এবং গোলাবারুদ সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে যায়। 

তাদের ভাষ্য, ইরানের উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এটি ছিল প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম ধাপ।


আইআরজিসি আরও অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ করে অবৈধভাবে চলাচল এবং নৌপথের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ঘটনায় তাদের নৌবাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান এখনও চলছে এবং পরবর্তী বিবৃতিতে এর বিস্তারিত ফলাফল জানানো হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম