Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

চীন–পাকিস্তান মোকাবিলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবাহিনী গড়ছে ভারত

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম

চীন–পাকিস্তান মোকাবিলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবাহিনী গড়ছে ভারত

Advertisement

আগামী ১০ বছরের মধ্যে নৌবাহিনীর জাহাজের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়েছে ভারত। চীন ও পাকিস্তানকে মোকাবিলায় দেশটি এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।  

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন বিশ্বের বৃহত্তম নৌবহর সম্প্রসারণ করছে আর পাকিস্তান চীনের নির্মিত অত্যাধুনিক আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ নিজেদের বহরে যুক্ত করেছে। এতে ভারত মহাসাগর বিষয়ে নয়া দিল্লির উদ্বেগ বৃদ্ধির বিষয়টি লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠেছে। 

ওই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভারত চলতি মাসে তার নৌবাহিনীতে স্টেলথ ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মহেন্দ্রগিরি ও ডুবোজাহাজ শিকারি যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মালভানকে যুক্ত করেছে। এই দুটি যুদ্ধজাহাজই ভারতে তৈরি। এগুলোকে এই প্রমাণ হিসেবে হাজির করা হয়েছে যে নয়াদিল্লি বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করেও নিজেদের নৌবহর বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

ভারতের নৌবাহিনীর বর্তমান জাহাজ সংখ্যা প্রায় ১৫০টি। এরমধ্যে প্রায় ১৩৫টি ফ্রিগেট, ডেস্ট্রয়ার ও ডুবোজাহাজের মতো সম্মুখসারির যুদ্ধজাহাজ বলে ধারণা করা হয়। আরও প্রায় ৫০টি নির্মাণাধীন আছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক রিয়ার অ্যাডমিরাল ও বর্তমান প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সঞ্জয় মিশ্র বলেন, যেহেতু এর বহর মূলত দেশীয়ভাবে তৈরি জাহাজ দিয়ে গঠিত হবে, তাই ২০৩৫ সালের মধ্যে নৌবাহিনীর ২০০ জাহাজের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনযোগ্য। উপযুক্ত উদ্দীপনা পেলে আমরা এই সংখ্যাটিও ছাড়িয়ে যেতে পারি।

মিশ্র বলেন, বর্তমান কৌশলগত প্রেক্ষাপটে ভারতের এখন স্থায়ীভাবে প্রস্তুত রাখার জন্য অন্তত দুটি অত্যন্ত গতিশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ নৌবহর প্রয়োজন। তবে এই অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে আরও বেশি ও সহায়ক জাহাজের প্রয়োজন হবে।

পরিস্থিতির দাবি মেটাতে ভারতীয় নৌবাহিনী জাহাজ অন্তর্ভুক্তির গতি বাড়িয়ে প্রতি ছয় সপ্তাহে বা তার কিছু বেশি সময়ে একটি করে নতুন যুদ্ধজাহাজ বহরে যুক্ত করছে। শুধু গত দেড় মাসেই তারা দেশীয় উপকরণ ও প্রযুক্তিতে তৈরি পাঁচটি জাহাজকে পরিষেবায় নামিয়েছে।

২০৪৭ সালের মধ্যে যন্ত্রাংশসহ জাহাজ নির্মাণে সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করা ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

২০৪৭ সালের মধ্যে যন্ত্রাংশ নির্মাণসহ জাহাজ নির্মাণে সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করাই ভারতের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য।

তবে সমালোচকরা এই লক্ষ্য অর্জনের পথে থাকা বেশ কিছু বাধার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। ভারত বর্তমানে খুব বেশি আমদানি করা বিশেষায়িত ইস্পাত ও অন্যান্য উপাদানসমূহের উপর নির্ভরশীল। এর পাশাপাশি দেশটির বিশৃঙ্খল অভ্যন্তরীণ সরবরাহ চেইন ও পুরনো শিপইয়ার্ড অবকাঠামো লক্ষ্য অর্জনে বাধা হয়ে আছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম