ইসরাইলের যুদ্ধ নীতিতে যেভাবে ধর্মকে অস্ত্র বানাচ্ছেন নেতানিয়াহু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সম্প্রতি জেরুজালেমের এক অনুষ্ঠানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি পুরোনো ধর্মীয় বাণী উল্লেখ করে বলেন, কেউ তোমাকে মারতে এলে, তাকে আগেই মেরে ফেলো। পরবর্তীতে তিনি একে সংক্ষেপে ‘আগে আক্রমণ করো’ বলে ব্যাখ্যা করেন।
কোনো নিশ্চিত হুমকির আগেই নিজের সুরক্ষায় আগে হামলা চালানোর এই কৌশল আন্তর্জাতিক নিয়মের বাইরে গিয়ে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ারই একটি উদাহরণ।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, গাজায় হামলা শুরু করার সময় নেতানিয়াহু বাইবেলের ‘আমালেক’ নামক একটি সংহারমূলক ঘটনার কথা উল্লেখ করে সৈন্য পাঠান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভাষা সাধারণ মানুষকে নিধনেরই এক প্রকার উস্কানি।
গবেষকদের মতে, এটি মূলত একটি ভূ-রাজনৈতিক ও ভূখণ্ড দখলের সংঘাত। কিন্তু যুদ্ধের সিদ্ধান্তগুলোকে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক ও নৈতিক দেখাতে ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুধু নেতানিয়াহুই নন, দেশটির অনেক মন্ত্রী ও ধর্মযাজকরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি অমানবিক বক্তব্য দিচ্ছেন এবং ধর্মীয় অধিকারের দোহাই দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের পক্ষে সাফাই গাইছেন।
এমনকি যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস করা সেনা ধর্মযাজকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার ঘটনাও ঘটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনীতির ফায়দা হাসিলে ধর্মকে এভাবে ব্যবহার করার ফলে এই সংকট আরো ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।

-6a8d9d5b6e547.jpg)