Logo
Logo
×
   

আন্তর্জাতিক

নেপালের ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর অলৌকিকভাবে দুজনকে জীবিত উদ্ধার

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

নেপালের ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর অলৌকিকভাবে দুজনকে জীবিত উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

দিনের পর দিন কাদা, আবর্জনা আর ভেঙে পড়া কাঠামোর ভেতর তল্লাশি চালানোর পর শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) নেপালে ভূগর্ভে আটকে পড়া এক চীনা শ্রমিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির ভেতরে চাপা পড়া ৬৪ বছর বয়সি এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির। 

ফলে সাম্প্রতিক এই দুর্যোগে জীবিত উদ্ধারের মোট সংখ্যা দাঁড়াল চারে। 

সর্বশেষ উদ্ধার অভিযানে ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত টেনে তোলা হয়। 

এর আগে শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গ থেকে দুই নেপালি শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। সে হিসেবে ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ সাইট থেকে এটি ছিল তৃতীয় সফল উদ্ধার অভিযান।

দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নেপালি সামরিক বাহিনী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্যোগ মোকাবিলা বিশেষজ্ঞদের যৌথ প্রচেষ্টায় এই উদ্ধারকাজ চালানো হয়। প্রায় ২২৫ মিটার লম্বা সুড়ঙ্গ থেকে ওই শ্রমিককে উদ্ধার করার পর তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। 

সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় এক সামরিক চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। 

এদিকে নুওয়াকোট শহরে শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) এক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি থেকে চন্দিকা শ্রেষ্ঠা (৬৪) নামের এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানের ছবিগুলোতে দেখা গেছে, জরুরি বিভাগের কর্মীরা ওই বৃদ্ধাকে একটি কম্বলে জড়িয়ে নিরাপদে বাইরে নিয়ে আসছেন। 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালের ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে এখনো প্রায় ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ৫০০ জন বিভিন্ন সুড়ঙ্গের ভেতর আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

প্রসঙ্গত, গত ২৬ আগস্ট আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী এই আকস্মিক বন্যা ও বিপর্যয় হিমবাহ ধসের কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১,৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫ হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম