‘ইরানকে চীনের সহায়তার’ প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানে গত জুলাইয়ে মার্কিন সেনাদের একটি ঘাঁটিতে হামলার আগে ইরান চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওই ঘাঁটির স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করেছিল। রোববার রাতে এমনই এক প্রতিবেদনকে গুরুত্ব না দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই হামলায় ৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল।
সম্প্রতি জর্ডানে হামলার ঘটনা নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য তুলে ধরা হয়। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে এমন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি ট্রাম্প। বরং তিনি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রমকে একই কাতারে এনে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকটি নিশ্চিত হবে কিনা সে ব্যাপারে চীন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
শির সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে বলে তার আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। আয়ারল্যান্ডে সপ্তাহন্তের সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে তিনি বলেন, আমার মনে হয় তিনি (শি) যুক্তিসংগত আচরণ করছেন এবং আমরাও যুক্তিসংগত আচরণ করছি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের যেসব প্রতিষ্ঠান ইরানকে ওই স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহ করেছে, তাদের নাম জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে এতে বেইজিং সরাসরি জড়িত এমন অভিযোগ করা হয়নি। রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে ওই প্রতিবেদনটি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
সোমবার চীন জানায়, তারা সব সময় কঠোরভাবে তাদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, প্রমাণ ছাড়া ভিত্তিহীন সন্দেহ ও অভিযোগের আমরা দৃঢ় বিরোধিতা করি।
ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে মনে হয়েছে, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কমিয়ে আনার যে প্রচেষ্টা মার্কিন প্রশাসন চালাচ্ছে, তার বক্তব্যও তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও তেহরানের সঙ্গে বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে ওয়াশিংটনের অসন্তোষ রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।

