Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

গাজায় ভবন ধসে নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে আটকা শতাধিক

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

গাজায় ভবন ধসে নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে আটকা শতাধিক

স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে অংশ নেন।

Advertisement

গাজা সিটিতে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন বহনকারী একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এ ঘটনায় ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ জন আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, রাতের বেলা সাততলা ভবনটি ধসে পড়ে। এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।

ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিশুদের বের করে আনছেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে অংশ নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও যাচাই করা ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুদের সাহায্যের জন্য কান্নার শব্দ শোনা যায়।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত অবস্থায় একটি ছোট মেয়েকে উদ্ধার করা হচ্ছে। আরও কয়েকজনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে ছোট শিশুও ছিল। কয়েকজনকে শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখা যায়। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, সিভিল ডিফেন্সের দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি এই ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছেন।

উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এর আগে ইসরাইলের একটি বোমা হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই হামলায় ভবনটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং এটি কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পরে সেটিই ধসে পড়ে।

মাহমুদ বাসাল বলেন, অনেক ফিলিস্তিনি বাধ্য হয়ে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে অবস্থান করছেন, যেগুলো তাদের ‘জীবনের জন্য হুমকি’। কারণ শরণার্থী কেন্দ্র বা উপযুক্ত তাঁবুর অভাবে তাদের অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই।

এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপ নিরাপদে সরানো ও উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য সিভিল ডিফেন্সের প্রয়োজনীয় ভারী সরঞ্জাম প্রবেশেও কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে একই ধরনের ভবনধসের ঘটনায় উদ্ধারকর্মীদের বেশিরভাগ সময় হাতে হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ আরও ধীর হয়ে পড়ছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে ইরান-কাতার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে ইরান-কাতার

যুদ্ধের মাশুল এবার ইউরোপকে দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

যুদ্ধের মাশুল এবার ইউরোপকে দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরানে যৌথ হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু

ইরানে যৌথ হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করবেন না ট্রাম্প: ভ্যান্স

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করবেন না ট্রাম্প: ভ্যান্স

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করছে ইরান, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করছে ইরান, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪

আরও পড়ুন

বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, কনে কে?

বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ, কনে কে?

দিল্লির জামিয়া যেন পুলিশ ক্যাম্প

দিল্লির জামিয়া যেন পুলিশ ক্যাম্প

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, কবে কোথায় আঘাত হানবে?

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, কবে কোথায় আঘাত হানবে?

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম