মৃতপ্রায় টেক্সটাইল মিল থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য, বাফেটের সাফল্যের রহস্য
Advertisement
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
ওয়ারেন বাফেট। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একটি মৃতপ্রায় টেক্সটাইল মিলকে কেন্দ্র করে করে বিশ্বের অন্যতম সফল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়ে তোলা যায়? উত্তর—ওয়ারেন বাফেট। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, ভ্যালু ইনভেস্টিং, বিমা ব্যবসার ‘ফ্লোট’ এবং চক্রবৃদ্ধির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি বানিয়েছেন বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে। অথচ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও আজও ১৯৫৮ সালে কেনা বাড়িতে থাকেন এই ‘ওমাহার ওরাকল’। জীবনের শেষ অধ্যায়েও নিজের সম্পদের সিংহভাগ দান করে যাওয়ার পরিকল্পনায় অটল এই কিংবদন্তি বিনিয়োগকারী।
ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট বিনিয়োগ দুনিয়ার কিংবদন্তি। ‘ওমাহার ওরাকল’ নামে পরিচিত এই বিনিয়োগকারী একসময় ধুঁকতে থাকা একটি টেক্সটাইল মিলের শেয়ার কিনেছিলেন। সেই প্রতিষ্ঠানই পরে রূপ নেয় বিশাল হোল্ডিং কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়েতে।
২০২৬ সালের শুরুর দিকে ফোর্বসের হিসাবে বাফেটের ব্যক্তিগত সম্পদ ১৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। প্রতিবছর তার কথা শুনতে যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার ওমাহায় ছুটে যান হাজারো মানুষ। বার্কশায়ারের বার্ষিক সভা তাই রসিকতা করে পরিচিত ‘ক্যাপিটালিস্টদের উডস্টক’ নামে।
শৈশবেই ব্যবসার হাতেখড়ি
১৯৩০ সালের ৩০ আগস্ট ওমাহায় জন্ম বাফেটের। বাবা হাওয়ার্ড বাফেট ছিলেন স্টকব্রোকার ও চার মেয়াদের মার্কিন কংগ্রেস সদস্য; রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে যুক্ত হাওয়ার্ড লিবার্টারিয়ান মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। মা লেইলা বাফেটের তিন সন্তানের মধ্যে ওয়ারেন ছিলেন দ্বিতীয় এবং একমাত্র ছেলে।
অর্থ উপার্জনের আগ্রহ ছোটবেলাতেই দেখা যায় তার। কোমল পানীয় বিক্রি ও পত্রিকা বিলি করে অর্থ উপার্জন করতেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই অর্থ দিয়ে ৪০ একর জমি কিনে ভাড়া দিয়ে মুনাফা করতে শুরু করেন।
বাবার পরামর্শে ১৬ বছর বয়সে ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ায় ভর্তি হন। দুই বছর পর সেখান থেকে চলে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব নেব্রাস্কা থেকে স্নাতক হন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য হার্ভার্ডে আবেদন করলেও প্রত্যাখ্যাত হন। ভর্তি হন কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সেখানেই বেঞ্জামিন গ্রাহামের অধীনে পড়াশোনা করেন। গ্রাহামকে বলা হয় ‘ভ্যালু ইনভেস্টিং’-এর জনক। তবে পড়াশোনা শেষে গ্রাহাম প্রথমে বাফেটকে চাকরি দেননি। এমনকি ওয়াল স্ট্রিট এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেন। গ্রাহামের নিজের ধারণা ছিল, ইহুদি হওয়ার কারণে ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলো তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তাই তার প্রতিষ্ঠানেও শুধু ইহুদিদের নিয়োগের নীতি ছিল।
বাফেট ফিরে আসেন ওমাহায় এবং বাবার ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন। ১৯৫২ সালে বিয়ে করেন সুসান থম্পসনকে। তিন বছর পর গ্রাহামের সিদ্ধান্ত বদলায় এবং বাফেটকে নিউইয়র্কে কাজের সুযোগ দেন।
ভ্যালু ইনভেস্টিং থেকে নতুন দর্শন
গ্রাহামের কাছ থেকে বাফেট শেখেন—কোনো কোম্পানির শেয়ার তার অন্তর্নিহিত মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম দামে পাওয়া গেলে সেটি কেনা যায়। বাফেট এই ধারণাকে আরও বিস্তৃত করেন। তার কাছে শুধু সস্তা শেয়ার নয়, ভালো ব্যবসা, শক্তিশালী ব্র্যান্ড, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
১৯৫৬ সালে ওমাহায় ফিরে তিনি ‘বাফেট অ্যাসোসিয়েটস’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬২ সালে, মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি মিলিয়নিয়ার। এ সময় চার্লি মাঙ্গারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুরু হয়। তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল ১৯৫৯ সালে।
পরবর্তী সময়ে বাফেট-মাঙ্গারের বিনিয়োগ দর্শন ভ্যালু ইনভেস্টিংকে নতুন মাত্রা দেয়—শুধু মৃতপ্রায় ব্যবসা থেকে শেষ কয়েক ডলার তুলে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী ব্যবসার মালিক হওয়াই লক্ষ্য।
মৃতপ্রায় মিল থেকে বার্কশায়ার
১৯৬২ সালে বাফেট বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের শেয়ার কেনা শুরু করেন। কম দামের কারণে আকৃষ্ট হন তিনি। ১৯৬৫ সালে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণকারী অংশীদারত্ব অর্জন করেন।
তখন শেয়ারের দাম ছিল প্রায় ৮ ডলার। ষাটের দশকের শেষ দিকে তা প্রায় ২০ ডলারে ওঠে। তখন বাফেট কোম্পানিটির সিইও হন।
কিন্তু টেক্সটাইল ব্যবসা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। কম খরচে উৎপাদনকারী প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দুর্বল হয়ে পড়ে। বাফেট টেক্সটাইল ব্যবসার নগদ অর্থ ব্যবহার করে অন্য কোম্পানি ও সম্পদ কিনতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে নতুন ব্যবসাগুলোই বার্কশায়ারের মূল শক্তিতে পরিণত হয়।
১৯৮৫ সালে তিনি শেষ টেক্সটাইল মিলটিও বন্ধ করে দেন। তবে বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে নামটি রেখে দেন। সেই নামের অধীনেই গড়ে ওঠে বহু বিলিয়ন ডলারের হোল্ডিং কোম্পানি।
বিমা ব্যবসার ‘ফ্লোট’
বার্কশায়ারের বিস্তারে বিমা ব্যবসা ছিল বড় মোড়। বাফেট ন্যাশনাল ইনডেমনিটি কিনে বিমা খাতে প্রবেশ করেন।
বিমা কোম্পানির একটি বিশেষ সুবিধা তার ‘ফ্লোট’। গ্রাহকের কাছ থেকে প্রিমিয়াম নেওয়ার পর দাবি পরিশোধের আগ পর্যন্ত সেই অর্থ কোম্পানির হাতে থাকে। বাফেট এই অর্থ বিনিয়োগে কাজে লাগানোর সুযোগ দেখেন।
ফলে বিমা ব্যবসার অর্থ দিয়ে শেয়ার ও অন্যান্য কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যায়; সেই বিনিয়োগ থেকে আসা অর্থ আবার নতুন বিনিয়োগে যায়। এভাবে মূলধনকে বারবার কাজে লাগিয়ে সম্পদ বাড়তে থাকে।
১৯৬৯ সালে বাফেট তার বিনিয়োগ অংশীদারিত্বগুলো বন্ধ করেন এবং অংশীদারদের নগদ অর্থের বদলে বার্কশায়ারের শেয়ার দেন। এরপর একে একে বিমা কোম্পানিগুলোকে বার্কশায়ারের অধীনে আনেন।
সি’স ক্যান্ডিস থেকে কোকা-কোলা, অ্যাপেল
১৯৭২ সালে বাফেট সি’স ক্যান্ডিস কিনে নেন। প্রতিষ্ঠানটির শক্তিশালী নগদ প্রবাহও নতুন বিনিয়োগে ব্যবহার করেন তিনি। এরপর বার্কশায়ারের বিনিয়োগে জায়গা করে নেয় আমেরিকান এক্সপ্রেস, ব্যাংক অব আমেরিকা, কোকা-কোলা, অ্যাপেলসহ বহু বড় প্রতিষ্ঠান। শক্তিশালী ব্র্যান্ড, ভালো ব্যবস্থাপনা, উচ্চ মুনাফা এবং দীর্ঘমেয়াদি ‘ইকোনমিক মোয়াট’ থাকা কোম্পানিই ছিল তার পছন্দ।
বাফেট সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ রাখতে পছন্দ করেন। অনেক কোম্পানি পুরোপুরি কিনে নেওয়ার পরও তাদের ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রাখেন এবং দৈনন্দিন কাজে হস্তক্ষেপ করেন না। সি’স ক্যান্ডিস, ফ্রুট অব দ্য লুম, ডেইরি কুইন, প্যাম্পার্ড শেফ, ক্রাফট হাইন্জ, গেইকো তার মালিকানাধীন পরিচিত ব্যবসাগুলোর মধ্যে রয়েছে।
২০২৬ সালের শুরুর দিকে বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের অধীনে ৬০টিরও বেশি কোম্পানি এবং ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বাজারমূল্য রয়েছে।
প্রযুক্তি নিয়ে সতর্কতা
নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে প্রযুক্তি শেয়ারে যখন ব্যাপক উত্থান, বাফেট তখন অনেকটাই বাইরে ছিলেন। প্রযুক্তি খাতে তার অনাগ্রহের কারণে ওয়াল স্ট্রিটের অনেকে তাকে পুরোনো ধ্যানধারণার বিনিয়োগকারী বলে সমালোচনা করেন।
বিলিয়নিয়ার হয়েও সাদামাটা জীবন
বিপুল সম্পদের মালিক হলেও বাফেটের জীবনযাপন অবাক করার মতো সাধারণ। ১৯৫৮ সালে ৩১ হাজার ৫০০ ডলারে কেনা পাঁচ বেডরুমের বাড়িতেই এখনও থাকেন। কোকা-কোলা পান করেন, স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেতে পছন্দ করেন; বার্গার ও স্টেক তার পছন্দের খাবার।
বছরের পর বছর করপোরেট জেট কেনার বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত একটি জেট কেনেন। সেটির নাম দেন ‘দ্য ইনডিফেনসিবল’—নিজের জেট কেনার সমালোচনাকে রসিকতার সঙ্গে স্বীকার করে নেওয়া এক নাম।
১৯৫২ সালে সুসান থম্পসনকে বিয়ে করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে আলাদা থাকলেও ২০০৪ সালে সুসানের মৃত্যু পর্যন্ত তাদের বিয়ে বহাল ছিল। তাদের তিন সন্তান—সুসি, হাওয়ার্ড ও পিটার। সুসানই বাফেটের সঙ্গে অ্যাস্ট্রিড মেনক্সের পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯৭৮ সাল থেকে তারা একসঙ্গে থাকেন এবং ২০০৬ সালের আগস্টে বিয়ে করেন।
সম্পদের বড় অংশই দান
বাফেটের সম্পদ নিয়ে আরেকটি বড় গল্প তার দাতব্য কর্মকাণ্ড। ২০০৬ সালের জুনে তিনি ঘোষণা করেন, তার সম্পদের বিশাল অংশ দান করে দেবেন। এর বড় অংশ যাবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য, যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরি ও বৈশ্বিক শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।
বাফেট বার্কশায়ারের ক্লাস বি শেয়ারের মাধ্যমে অনুদান দেন। গেটস ফাউন্ডেশনে তার মোট পরিকল্পিত অনুদান ১ কোটি শেয়ার। প্রতি বছর ৫ শতাংশ করে দেওয়ার কথা—তার মৃত্যু পর্যন্ত, অথবা ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত।
২০০৬ সালের প্রথম অনুদান ছিল ৫ লাখ শেয়ার, যার মূল্য তখন প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালে ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যান জানান, ২০০৬ সাল থেকে বাফেটের অনুদান ৩৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২৪ সালে ৯৯ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৭টি শেয়ার দান করেন, যার মূল্য ছিল প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার। একই বছর সন্তানদের তিনটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬ লাখ ৯৫ হাজার ১২২টি শেয়ার ভাগ করে দেন। প্রথম স্ত্রী সুসানের স্মরণে পরিচালিত ফাউন্ডেশনকে দেন আরও ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫টি শেয়ার।
২০২৫ সালের জুনে ১ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার বার্কশায়ার ক্লাস বি শেয়ার দান করেন, যার মূল্য ছিল প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশ যায় গেটস ফাউন্ডেশনে, বাকিটা চারটি পারিবারিক ফাউন্ডেশনে। নভেম্বরে চারটি পারিবারিক ফাউন্ডেশনকে আরও প্রায় ১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার দেন।
তার দাতব্য কাজ অবশ্য আরও পুরোনো। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে তিনি অর্থ দিচ্ছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাফেট ফাউন্ডেশন এর নাম পরে সুসান থম্পসন বাফেট ফাউন্ডেশন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য নেব্রাস্কার নিম্নআয়ের শিক্ষার্থীদের কলেজ বৃত্তি দেওয়া।
বাফেটের মূল শিক্ষা
বাফেটের বিনিয়োগ দর্শন সহজ—ভালো ব্যবসা খুঁজে বের করা, যুক্তিসংগত দামে কেনা এবং দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা। কোকা কোলা ও আমেরিকান এক্সপ্রেসের মতো কোম্পানি বহু বছর ধরে তার পোর্টফোলিওতে রয়েছে।
১৯৯৬ সালের শেয়ারহোল্ডারদের চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘আপনি যদি কোনো শেয়ার ১০ বছর ধরে রাখতে প্রস্তুত না থাকেন, ১০ মিনিটের জন্যও সেটি কেনার কথা ভাববেন না।’
২০০৮ সালে নিউইয়র্ক টাইমসে তিনি আরও বলেন, ‘অন্যরা যখন লোভী, তখন ভয় পান; আর অন্যরা যখন ভয় পায়, তখন লোভী হন।’
এই নীতির কেন্দ্রে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা এবং চক্রবৃদ্ধির শক্তিকে সময় দেওয়া।
শেষ সম্পদও যাবে মানুষের কাজে
বাফেট দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, তার সম্পদের সিংহভাগ দাতব্য কাজে যাবে। বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য ও নারীর অধিকারসহ বিভিন্ন উদ্যোগে তাদের কাজের মিলও রয়েছে।
২০০৬ সালে বিবিসিকে তিনি বলেছিলেন, তিনি ‘ডাইনাস্টিক ওয়েলথ’ বা বংশপরম্পরায় বিপুল সম্পদ রেখে যাওয়ার পক্ষে নন। বরং এই অর্থ এমন মানুষের কাজে লাগুক, যারা জীবনে কম সুযোগ পেয়েছে—এটাই তার লক্ষ্য।
বিল ও মেলিন্ডা গেটসের সঙ্গে তিনি ‘দ্য গিভিং প্লেজ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যার লক্ষ্য বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের সম্পদের বড় অংশ দাতব্য কাজে দিতে উৎসাহিত করা।
তথ্যসূত্র: ইনভেস্টোপিডিয়া, ফোর্বস





