Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

চীনের চোখরাঙানি পাত্তা দিল না তাইওয়ান

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

চীনের চোখরাঙানি পাত্তা দিল না তাইওয়ান

সংগৃহীত ছবি

Advertisement

চীনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্রথম দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান হাতে পেয়েছে তাইওয়ান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাইওয়ানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তাইতুংয়ের একটি বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে যুদ্ধবিমান দুটি। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের তৈরি।

তাইওয়ানকে মোট ৬৬টি এফ-১৬ভি সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৮০০ কোটি ডলারের চুক্তি রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়েছিল। চলতি বছরই এসব যুদ্ধবিমান সরবরাহের কথা ছিল।

তবে সরবরাহে নানা জটিলতার কারণে পুরো চালান সময়মতো পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু শুক্রবার জানিয়েছেন, বছরের শেষ হওয়ার আগে আরও এফ-১৬ভি দেশটিতে পৌঁছাবে। তবে কতটি বিমান আসবে, তা তিনি জানাননি।

এদিকে, তাইওয়ান আরও ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে চীনের আপত্তির পর ট্রাম্প প্রশাসন ওই প্যাকেজের অনুমোদন স্থগিত রেখেছে। প্যাকেজটিতে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে। দ্বীপটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও জানিয়েছে বেইজিং।

নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমানগুলো তাইওয়ানের পুরোনো এফ-১৬এ/বি বহরের উন্নত সংস্করণ। এতে উন্নত যুদ্ধ ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং আধুনিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি রয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের সামরিক সক্ষমতা মোকাবিলায় তাইওয়ানের বিমানবাহিনীতে এসব যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে।

তবে শুধু আধুনিক যুদ্ধবিমান নয়, পাইলটের ঘাটতিও তাইওয়ানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। যুদ্ধবিমান দেখতে তাইতুংয়ের বিমানঘাঁটির বাইরে জড়ো হওয়া এক বাসিন্দা বলেন, সামরিক সরঞ্জামের সক্ষমতা বাড়লেও বর্তমানে সবচেয়ে বড় ঘাটতি পাইলটের।

এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই যুদ্ধবিমান দুটি তাইওয়ানে পৌঁছানোর কথা ছিল। হাওয়াই ও গুয়ামে জ্বালানি নেওয়ার পর সেগুলোর তাইওয়ানে আসার কথা থাকলেও গুয়ামের উদ্দেশে উড্ডয়নের পর বিমান দুটি হাওয়াইয়ে ফিরে যায়। এর কারণ সম্পর্কে কোনো সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র প্যাকেজটি কবে অনুমোদন হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনের আগে এ বিষয়ে অগ্রগতি নাও হতে পারে। ওই সম্মেলনে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের কথা রয়েছে।

চীনের প্রতিক্রিয়া কমাতে বড় অস্ত্র প্যাকেজটি একবারে অনুমোদন না দিয়ে কয়েকটি ছোট প্যাকেজে ভাগ করার বিষয়েও ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন অধ্যাপক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করল চীন, এশিয়ায় বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করল চীন, এশিয়ায় বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা

পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন

পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬ ড্রোন চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীন

বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙানিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইরানের পাশে চীন

যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙানিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইরানের পাশে চীন

আরও পড়ুন

রিয়াদে আরামকো স্থাপনার কাছে হামলা

রিয়াদে আরামকো স্থাপনার কাছে হামলা

চীনের চোখরাঙানি পাত্তা দিল না তাইওয়ান

চীনের চোখরাঙানি পাত্তা দিল না তাইওয়ান

ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ চালু করল সিঙ্গাপুর

সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ চালু করল সিঙ্গাপুর

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম