Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মিয়ানমারের প্রায় ১০ হাজার নাগরিককে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। এর মধ্যেই মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কুয়ালালামপুর সফরে আসছেন বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশটির পার্লামেন্টে আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের একটি অংশকে মিয়ানমার সরকারের ব্যবস্থাপনায় বিমানে করে দেশে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে দুই দেশের সমঝোতার আওতায় প্রায় দেড় হাজার মানুষকে সমুদ্রপথে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তবে এই প্রত্যাবাসন নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরও জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করে তারা নিশ্চিত হতে পারেনি যে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তারা স্বাধীন ও পর্যাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়েছিলেন কিনা।


আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে এবং দেশে ফেরার পর তাদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের নির্যাতন, জবরদস্তি বা মানবাধিকার লঙ্ঘন না করার শর্তও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখবেন বলেও জানান আনোয়ার। তার আসন্ন কুয়ালালামপুর সফরকে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের আন্তর্জাতিক বৈধতা পাওয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। এর আগে ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনীর ব্যাপক অভিযানের মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগও রয়েছে।

মালয়েশিয়া দাবি করছে, যারা ফেরত গেছেন তারা প্রত্যাবাসনে সম্মতি দিয়েছিলেন। তবে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মিয়ানমারের শরণার্থীদের অনেকের সামনে বাস্তবে খুব বেশি বিকল্প ছিল না।

২০২৬ সালে মালয়েশিয়ায় শরণার্থী ও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানও বেড়েছে। এসব অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি শরণার্থী আটক হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটিতে মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীদের সবচেয়ে বড় অংশই রোহিঙ্গা। তবে সাম্প্রতিক প্রত্যাবাসনে ঠিক কতজন রোহিঙ্গা ছিলেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার শরণার্থী রয়েছে। দেশটি জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের সদস্য নয়। ফলে মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের আইনগতভাবে অনিবন্ধিত অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইউএনএইচসিআরের হিসাবে দেশটিতে মোট নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৬০০।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকীর সাফল্য

বিশ্বসেরা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. শফিক সিদ্দিকীর সাফল্য

মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ, জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ, জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

রাখাইনে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে বিমান হামলা, নিহত ৮

রাখাইনে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে বিমান হামলা, নিহত ৮

১,৫০০ অভিবাসীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

১,৫০০ অভিবাসীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আরাকান আর্মি

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আরাকান আর্মি

মালয়েশিয়ায় পাহাড় ধসে বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় পাহাড় ধসে বাংলাদেশির মৃত্যু

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

কাশ্মীর থেকে বাগডোগরায় ১৫০ বাংলাদেশি, সীমান্তে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি

কাশ্মীর থেকে বাগডোগরায় ১৫০ বাংলাদেশি, সীমান্তে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি

জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করলেও আন্দোলন থামবে না, দিল্লিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করলেও আন্দোলন থামবে না, দিল্লিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

স্বর্ণের দামে বড় পতন

স্বর্ণের দামে বড় পতন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম