প্লেগের বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে কথা বলবেন ট্রাম্প
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় গবেষণাগারে প্লেগে এক নারী কর্মীর মৃত্যুর বিষয়ে শিগগরি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাপ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। খবর এএফপির।
এদিকে প্লেগে মৃত্যুর বিষয়ে রাশিয়ার কাছে স্বচ্ছতা দাবি করেছে ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘ। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ প্লেগ-প্রতিরোধী কোনো বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা অস্বীকার করেছে এবং গত সপ্তাহে সাইবেরিয়ার ইরকুতস্ক অঞ্চলের একটি প্লেগ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কোনো বড় ধরনের ঘটনার খবরকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটন এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ প্রকাশ করছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়াকে খোলামেলা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও মঙ্গলবার একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছে।
আইসল্যান্ড সফরের সময় রুবিও বলেন, ‘আমরা রাশিয়াকে স্বচ্ছ হতে এবং বিশ্বের সঙ্গে আরও তথ্য শেয়ার করার আহ্বান জানাই, যাতে আমরা সবাই সেই অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারি।’
ট্রাম্প পরে জানান, কী ঘটেছে তা নিয়ে তিনি পুতিনের সঙ্গে কথা বলবেন।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার একটি ফোনালাপের সময় নির্ধারিত আছে। এটি খুব শিগগিরই হবে।’
পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কী বক্তব্য—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এ নিয়ে গভীর আলোচনা করছি। সম্ভবত আগামীকালই আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।’
‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর রাশিয়ার কাছে একটি গোপনীয় কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছে। এতে মস্কোকে সতর্ক করা হয়েছে, বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করাটা তাদের আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থি।
এদিকে রুশ সংবাদমাধ্যম ‘পিপল অব বৈকাল’ গত শুক্রবার জানিয়েছে, মৃত দারিয়া শিপিলোভার বয়স ২৮ বছর। সম্ভবত একটি ভাঙা টিউব থেকে তিনি প্লেগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
অন্যান্য গণমাধ্যম তার মৃত্যুর সঙ্গে ওই গবেষণাগারের দুর্ঘটনার সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকার কথা জানিয়েছে।
পিপল অব বৈকাল আরও জানিয়েছে যে, ওই নারীর সংস্পর্শে আসা প্রায় ২০০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
তবে রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্য তদারকি সংস্থা রোসপোট্রেবনাডজোর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি নথির দাবি অস্বীকার করেছে, যেখানে বলা হয়েছিল যে এ ঘটনায় বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

-6ac5fea19f71e.webp)