গাজায় আগ্রাসনের তিন বছর
অক্টোবরে হামলার তথ্য আগেই ‘জানতেন’ নেতানিয়াহু
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চলতি মাসের শেষ দিকে পার্লামেন্ট (নেসেট) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলা মোকাবিলায় অবহেলা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ আনছেন বিরোধী নেতারা।
তারা বলছেন, রাজনৈতিক ফায়দার জন্য নেতানিয়াহু এ হামলাটি সংগঠিত হতে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি ইসরাইলেরই একটি গণমাধ্যম এ বিতর্কে ঘি ঢেলেছে।
হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই গাজা সীমান্তের বিভিন্ন ঘাঁটিতে নজরদারির দায়িত্বে থাকা তরুণ নারী সেনাসদস্যরা সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিয়ে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছিলেন। তাদের একজন ছিলেন রনি এশেল।
৭ অক্টোবর কফার আজার কাছে নাহাল ওজ সামরিক ঘাঁটিতে সশস্ত্র হামলাকারীরা হামলা চালায়। ওই হামলায় তিনি ও তার ইউনিটের আরও ১৪ জন নিহত হন।
রনির চাচা এলাদ লেভি বিবিসিকে বলেন, ‘অনেক প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার। মিশরীয়রা কি প্রধানমন্ত্রীকে (নেতানিয়াহু) সতর্ক করেছিল? সংযুক্ত আরব আমিরাত কি কোনো সতর্কবার্তা দিয়েছিল? নেতানিয়াহু কি আরও কোনো সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিলেন? আমাদের জানতে হবে আসলে কী ঘটেছিল। শুধু হামলার দিন নয়, তার এক বছর আগে, এমনকি পাঁচ বছর আগেও কী ঘটেছিল, সেটাও জানতে হবে।’
গত মাসে ইসরাইলের সংবাদপত্র হারেৎজ এক নতুন বইয়ের কিছু অংশ প্রকাশ করে। সেখানে দাবি করা হয়, হামলার ১০ দিন আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতা নেতানিয়াহুকে ফোন করেছিলেন। হামাস বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে বলে তাকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। তবে নেতানিয়াহুর কার্যালয় প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং সংবাদপত্রটির বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও জানিয়েছে।
মিসরের পক্ষ থেকেও নেতানিয়াহুকে হামলার বিষয়ে জানানো হয়েছিল বলে খবর এসেছে। অভিযোগ আছে, কট্টর ডানপন্থাকে চাঙ্গা করা এবং গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নির্মূলের উদ্দেশে তিনি এ ঘটনাটি হতে দিয়েছিলেন। বিশ্বের সামনে গণহত্যার পরও গাজায় রয়ে গেছেন ফিলিস্তিনিরা।
