চীনের শিনজিয়াং প্রদেশেই আছে ৩৮০ উইঘুর বন্দিশিবির
jugantor
চীনের শিনজিয়াং প্রদেশেই আছে ৩৮০ উইঘুর বন্দিশিবির

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:১৬:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশেই ৩৮০টি উইঘুর বন্দিশিবির রয়েছে বলে দাবি করছে অস্ট্রেলিয়া।যা আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের (এসপিআই) এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করে। খবর আল জাজিরার।

উইঘুর মুসলিমদের আটকে রাখার বিষয়টি স্বীকার করলেও চীনের দাবি, ইসলামি কট্টরবাদ মোকাবেলার অংশ হিসেবে তুর্কি ভাষায় কথা বলা উইঘুরদের এখানে আটক করে জাতীয়তাবাদ ও আদর্শ শেখানো, তাদের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে।

একইসঙ্গে জিনজিয়াং প্রদেশের কর্তৃপক্ষ বন্দি শিবিরগুলোকে আইন করে বৈধতাও দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছে চীন।



চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রায় দশ লাখ মুসলমান বন্দি রয়েছেন। এসব ক্যাম্প কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে ২০১৭ সালে একটি নির্দেশনা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

চীন সরকারের দাবি, এসব ক্যাম্পে মুসলমানরা স্বেচ্ছায় প্রশিক্ষণ নিতে যান। কিন্তু প্রকাশিত নির্দেশনা বলছে, ক্যাম্পে বন্দিদের প্রথমে আদর্শ ও আচরণগত প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে তাদের মনোজগতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়।

এরপর অন্য জায়গায় তাদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দিদের কেউ যেন পালাতে না পারেন সেজন্য ২৪ ঘণ্টাই তাদের নজরে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ক্যাম্প কর্মীদের।

এমনকি টয়লেটে যাওয়ার সময়ও তাদের নজরে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা টাওয়ার নির্মাণ, ডাবল-লক দরজা, অ্যালার্ম ও প্রবেশ দরজাসহ সব জায়গায় ভিডিও নজরদারির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশেই আছে ৩৮০ উইঘুর বন্দিশিবির

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশেই ৩৮০টি উইঘুর বন্দিশিবির রয়েছে বলে দাবি করছে অস্ট্রেলিয়া।যা আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের (এসপিআই) এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করে। খবর আল জাজিরার।

উইঘুর মুসলিমদের আটকে রাখার বিষয়টি স্বীকার করলেও চীনের দাবি, ইসলামি কট্টরবাদ মোকাবেলার অংশ হিসেবে তুর্কি ভাষায় কথা বলা উইঘুরদের এখানে আটক করে জাতীয়তাবাদ ও আদর্শ শেখানো, তাদের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে।

একইসঙ্গে জিনজিয়াং প্রদেশের কর্তৃপক্ষ বন্দি শিবিরগুলোকে আইন করে বৈধতাও দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছে চীন।



চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রায় দশ লাখ মুসলমান বন্দি রয়েছেন। এসব ক্যাম্প কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে ২০১৭ সালে একটি নির্দেশনা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

চীন সরকারের দাবি, এসব ক্যাম্পে মুসলমানরা স্বেচ্ছায় প্রশিক্ষণ নিতে যান। কিন্তু প্রকাশিত নির্দেশনা বলছে, ক্যাম্পে বন্দিদের প্রথমে আদর্শ ও আচরণগত প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে তাদের মনোজগতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়।

এরপর অন্য জায়গায় তাদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দিদের কেউ যেন পালাতে না পারেন সেজন্য ২৪ ঘণ্টাই তাদের নজরে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ক্যাম্প কর্মীদের।

এমনকি টয়লেটে যাওয়ার সময়ও তাদের নজরে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা টাওয়ার নির্মাণ, ডাবল-লক দরজা, অ্যালার্ম ও প্রবেশ দরজাসহ সব জায়গায় ভিডিও নজরদারির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।