ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জেলেনস্কিকে কাছে টানল ইউরোপ
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৫, ০২:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যুদ্ধবিরতির জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ওভাল অফিসে ডেকে এনে সাংবাদিকদের সামনে রীতিমতো শাসিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের জন্য ট্রাম্প জেলেনস্কিকেই দায়ী করেছেন। ওভাল অফিসে ট্রাম্পের এমন আচরণের পরও জেলেনস্কিকে কাছে টেনে নিয়েছে ইউরোপ। এ ঘটনায় জেলেনস্কিকে সমর্থন দিয়েছে ইউরোপ।
জেলেনস্কির এ ঘটনার পরপরই ইউরোপের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ‘সিকিউর আওয়ার ফিউচার’ শীর্ষক এক সম্মেলনের আয়োজন করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। যেখানে জেলেনস্কিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য শীর্ষ নেতারা তাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই যুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে স্টারমার জানিয়েছেন, শীর্ষ বৈঠকে চার দফা কর্মসূচি নিয়ে মতৈক্য হয়েছে। এই চার দফা কর্মসূচি হলো, ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য দেওয়া হবে এবং রাশিয়ার ওপর আর্থিক চাপ বহাল রাখা হবে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রেখে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনতে হবে এবং শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
শান্তিচুক্তিতে ইউক্রেনের আত্মরক্ষার ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা থাকবে। ভবিষ্যৎ আগ্রাসন বন্ধ করতে এটা জরুরি। এই চুক্তি যাতে ঠিকভাবে কার্যকর হয় সেটা নিশ্চিত করতে ‘কোয়ালিশন অফ দ্য উইলিং’ গঠন করা হবে এবং তারা পরবর্তীকালে শান্তি বজায় রাখার নিশ্চয়তা দেবে।
স্টারমার বলেছেন, যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে দুইশ কোটি ডলার দেবে, যাতে তারা পাঁচ হাজার এয়ার ডিফেন্স মিসাইল কিনতে পারে। এছাড়াও রাশিয়ার ফ্রিজ করা সম্পদের লভ্যাংশ থেকে ২২০ কোটি ইউরো ইউক্রেনকে ঋণ হিসাবে দেয়া হবে।
এদিকে ট্রাম্পের অমন রক্তচক্ষুর পরও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি।
এছাড়াও ফরাসি সংবাদপত্র লে ফিগারোর অনুসারে, বৈঠকে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে সম্ভাব্য এক মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব করেছে।
