Logo
Logo
×
   

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

ওষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে নারীরা রোজা রাখলে আদায় হবে কি?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

ওষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে নারীরা রোজা রাখলে আদায় হবে কি?

মাসিক বন্ধ করে রোজা পালন। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। অনেক নারী ওষুধ খেয়ে তাদের হায়েজ/মাসিক/ঋতুস্রাব/রক্তস্রাব বন্ধ করে রমজানের রোজা পালন করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো— নারীরা যদি ওষুধ খেয়ে তাদের নিয়মিত মাসিক/হায়েজ/ঋতুস্রাব/রক্তস্রাব বন্ধ করে রমজান মাসের সকল রোজা রাখে তাহলে কি রোযা হবে? নাকি পরে আবার কাজা করতে হবে? 

নারীদের হায়েজ/মাসিক/ঋতুস্রাব/রক্তস্রাব হওয়াটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক বিষয়। এটা আল্লাহ তাআলার নেজাম। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারীরই প্রতিমাসে সর্বনিম্ন ৩ দিন  সর্বোচ্চ ৫/৭ দিন রক্ত প্রবাহিত হয়। এ সময় তাদের ওপর নামাজের হুকুম থাকে না। আর রমজান মাস হলে পরে রোজা কাজা করে নিতে হয়। তাই অনেকে পরবর্তীতে একা একা রোজা না রাখার জন্য ওষুধ খেয়ে তাদের নিয়মিত মাসিকের রক্ত বন্ধ করে রোজা পালন করে থাকে।


রমজানে রোজা রাখার জন্য ওষুধ খেয়ে হায়েজ/মাসিক বন্ধ করে রাখাটা উচিত হবে না। এতে শারিরীকভাবে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা যেহেতু হায়েজ/মাসিকের কারণে রোজা না রাখার অনুমতি প্রদান করেছেন, তাই সে সময় হায়েজ স্বাভাবিক রেখে রোজা না রাখাটাই উচিত। পরে তা কাজা করে নেবে। ইনশাআল্লাহ এতে সওয়াব হবে বেশি। কারণ রমজানে সবার সাথে রোযা রাখা সহজ। কিন্তু রমজানের পর একা একা রোজা রাখাটা কঠিন। আর যে ইবাদত পালন যত কষ্টকর, তার সওয়াবও তত বেশি।

তবে যদি কোন নারী রমজান আসার আগেই এবং হায়েজ শুরু হওয়ার আগে ওষুধ খেয়ে তা বন্ধ করে দেয়, তাহলে তার জন্য রোজা রাখা জায়েজ হবে। কোন সমস্যা নেই।

কিন্তু যদি রমজান চলে আসে, আর রক্ত জারি হয়ে যাওয়ার পর ওষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে হায়েজের সর্বনিম্ন সীমা কমপক্ষে ৩ দিন পর্যন্ত রোযা রাখতে পারবে না। এর পর থেকে রাখতে পারবে। (কিতাবুল ফাতওয়া- ৩/৪০৫)

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম