Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

ফিতরা দেওয়ার আগে জেনে নিন জরুরি ৭ মাসায়েল

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪১ পিএম

ফিতরা দেওয়ার আগে জেনে নিন জরুরি ৭ মাসায়েল

ফিতরা। প্রতীকী ছবি

Advertisement

রমজান মাস সদকায়ে ফিতর আদায়ের মৌসুম বলা চলে। ধনীর সম্পদে গরিবের হক প্রতিষ্ঠায় এই বিধান। ৫ ধরনের দ্রব্য দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। ফিতরা গ্রহণের ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদেরও রকমফের আছে। 

হাদিসে খেজুর, পনির, যব, কিশমিশ ও গম এই পাঁচ ধরনের খাদ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা তার মূল্য ফিতরা হিসাবে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমাদের দেশে সাধারণত গমের মূল্য ধরে ফিতরার সর্বনিম্ন হার নির্ধারণ করা হয়। দেশের অভিজ্ঞ মুফতিরা আর ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক এ হার ঘোষণা করা হলেও এটিকে ফিতরার একমাত্র হার মনে করা ঠিক নয়। এটি শুধু সর্বনিম্ন পরিমাণ। সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য এর চেয়ে বেশি মূল্যে ফিতরা দেওয়া উত্তম; তবে তা অবশ্যই হাদিসে বর্ণিত খাদ্যদ্রব্যগুলোর মূল্য বিবেচনায় নির্ধারণ করতে হবে।

ফিতরার জরুরি ৭ মাসআলা-

এক. যার ওপর জাকাত ফরজ, তার ওপর সদকায়ে ফিতরও ওয়াজিব। তবে পার্থক্য হলো-জাকাতের জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর ধরে মালিকানায় থাকতে হয়, কিন্তু ফিতরের ক্ষেত্রে বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত নয়; ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় কেউ নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকলেই তার ওপর ফিতরা ওয়াজিব হয়।

দুই. গম, গমের আটা, যব, যবের আটা, খেজুর, কিশমিশ ও পনির দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। গম বা গমের আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে পরিমাণ হবে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম। আর যব, খেজুর, কিশমিশ কিংবা পনির দিয়ে আদায় করলে পরিমাণ হবে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম অথবা ওই পরিমাণের বাজারমূল্য।

তিন. প্রত্যেক মুসলমান নিজের পক্ষ থেকে এবং নিজের নাবালেগ সন্তানদের পক্ষ থেকেও ফিতরা আদায় করবে। সে হিসাবে ঈদের রাতে সুবহে সাদিকের আগে জন্ম নেওয়া শিশুর পক্ষ থেকেও সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব। তবে সুবহে সাদিকের পর জন্ম হলে তার ওপর ফিতরা ওয়াজিব হবে না। একইভাবে সুবহে সাদিকের আগে কেউ মারা গেলে তার ওপর ফিতরা ওয়াজিব নয়; আর সুবহে সাদিকের পরে মারা গেলে তার ফিতরা আদায় করতে হবে।

চার. ঈদের দিন ঈদের নামাজে যাওয়ার আগেই সদকায়ে ফিতর আদায় করা উত্তম। তবে কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে ঈদের নামাজের পরও আদায় করা যাবে।

পাঁচ. যাদের ওপর কুরবানি বা সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব নয়-এমন গরিব মুসলমানদেরও ফিতরা দেওয়া জায়েজ।

ছয়. ফিতরার অর্থ বা খাদ্য গরিব মুসলমানের মালিকানায় তুলে দিতে হবে। সদকায়ে ফিতরের অর্থ সরাসরি মসজিদ, মাদ্রাসা বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যয় করা যাবে না।

সাত. একজন ব্যক্তির সদকায়ে ফিতর একাধিক গরিবের মধ্যে বণ্টন করা যায়। আবার একাধিক ব্যক্তির ফিতরা এক ব্যক্তিকেও দেওয়া যেতে পারে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে

রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে

রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২০৩০ সালে দুবার রমজান, এই বিরল ঘটনার নেপথ্যে কী

২০৩০ সালে দুবার রমজান, এই বিরল ঘটনার নেপথ্যে কী

আরও পড়ুন

ইমামের আগে দাঁড়ালে কি মুক্তাদির নামাজ হবে?

ইমামের আগে দাঁড়ালে কি মুক্তাদির নামাজ হবে?

দাওয়াত খেয়ে টাকা দেওয়া কি জায়েজ? ইসলামের বিধান কী?

দাওয়াত খেয়ে টাকা দেওয়া কি জায়েজ? ইসলামের বিধান কী?

শেষ রাতের যে ৫ আমল বদলে দিতে পারে জীবন

শেষ রাতের যে ৫ আমল বদলে দিতে পারে জীবন

ধূমপানের কারণে কি অজু ভেঙে যায়?

ধূমপানের কারণে কি অজু ভেঙে যায়?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম