Logo
Logo
×
   

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

শাওয়ালের ৬ রোজা ধারাবাহিক রাখতে হয়

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

শাওয়ালের ৬ রোজা ধারাবাহিক রাখতে হয়

Advertisement

মাহে রমজান শেষে গত শনিবার পালিত হয়েছে ঈদুল ফিতর। এখন চলছে শাওয়াল মাস। এ মাসের বিশেষ কিছু আমল রয়েছে—এর মধ্যে অন্যতম হলো ছয়টি নফল রোজা। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই রোজাগুলো রাখলে মিলবে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব।

নবী করিম (সা.) নিজে এই রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদেরও নির্দেশ দিতেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে রমজানের রোজা পূর্ণ করে, অতঃপর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখে—সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৬৪৮)

নবীজি (সা.) আরও বলেন, যে রমজানের রোজা শেষ করে ছয় দিন রোজা রাখবে, সেটা তার জন্য পুরো বছর রোজা রাখার সমতুল্য। (মুসনাদে আহমদ: ২৮০)

উবাইদুল্লাহ (রা.) বলেন, একদিন রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমি কি সারা বছর রোজা রাখতে পারব? তখন তিনি বললেন, তোমার ওপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে, তাই তুমি সারা বছর রোজা না রেখে রমজানের রোজা রাখো এবং রমজানের পরবর্তী মাস শাওয়ালের ছয় রোজা রাখো, তাহলেই সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৫৩৪)।

কেউ যদি পুরো রমজানে রোজা রেখে তারপর শাওয়ালের এই ছয় রোজা রাখে, তবেই পূর্ণ এক বছর নফল রোজা রাখার সওয়াব লাভ হবে। আলাদাভাবে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজায় কিংবা পুরো রমজানের রোজায় এক বছর নফল রোজার সওয়াব দেওয়া হবে না।

শাওয়ালের রোজা কি ধারাবাহিক রাখতে হয়?

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয় দিনে রোজা রাখলেই উল্লিখিত সওয়াব লাভ করা যাবে। লাগাতার ছয় দিন রোজা রাখা যাবে। আবার মাঝে বিরতি দিয়েও রাখা যাবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম