মারা গেলেন তাবলিগের প্রবীণ মুরব্বি মাওলানা এহসানুল হক
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পাকিস্তানসহ বিশ্বের তাবলিগ জামাতের অন্যতম প্রবীণ মুরুব্বি ও বিশিষ্ট আলেম মাওলানা এহসানুল হক ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পাকিস্তানসহ দেশ-বিদেশের তাবলিগ জামাতের সাথী, আলেম-উলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের (আলমী শুরা) মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
মাওলানা এহসানুল হক পাকিস্তানের রায়বেন্ডসহ সারা বিশ্বের তাবলিগ জামাতের আলমী শুরার একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতের আমির বাবু বশির সাহেবের সন্তান হিসেবে তিনি পারিবারিকভাবেই দীর্ঘকাল দাওয়াত ও তাবলিগের কাজের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং রায়বেন্ড মারকাজের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
শিক্ষাজীবনে ভারতের সাহারানপুরের বিখ্যাত মাজাহিরুল উলুম মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করেন মাওলানা এহসানুল হক। সেখানে তিনি মাওলানা হারুন সাহেবের সহপাঠী ছিলেন। তিনি বিখ্যাত শাইখুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া কান্ধলভী (রহ.)-এর কাছে হাদিস পড়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন তার খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন।
অধ্যয়ন শেষে তৎকালীন রীতি অনুযায়ী তিনি টানা সাত চিল্লা (২৮০ দিন) আল্লাহর রাস্তায় অতিবাহিত করেন। দাওয়াতি মেহনতের এই নির্ধারিত সময় শেষে তিনি ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের ‘কাশিফুল উলুম’ মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন।
পরবর্তীতে মাওলানা ইউসুফের (রহ.) ইন্তেকালের পর তিনি পাকিস্তানের রায়বেন্ড মারকাজে চলে আসেন। এরপর থেকে আমৃত্যু তিনি দ্বীনি ইলম চর্চা ও দাওয়াতি কাজের পাশাপাশি রায়বেন্ড মারকাজের নানা প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। তাবলিগের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস (রহ.)-এর পরিবারের সঙ্গেও তার অত্যন্ত সুদৃঢ় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
