এজেন্সিকে হজের টাকা দিলে সেই টাকার যাকাত কি হজযাত্রীকে দিতে হবে?
Advertisement
ইসলাম ও জীবন ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো হজ। এটি কায়িক ও আর্থিক ইবাদতের এক অপূর্ব সমন্বয়। আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ করেছেন। সামর্থ্য থাকার পরও যারা এ পবিত্র ইবাদত পালনে অবহেলা করেন, তাদের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।
হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর একটি বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি হজ করার সামর্থ্য রাখে তবুও হজ করে না, সে ইহুদি হয়ে মৃত্যুবরণ করল, নাকি খ্রিষ্টান হয়ে, তার কোনো পরোয়া আল্লাহর নেই। (তাফসিরে ইবনে কাসির)।
প্রতিবছর লাখো মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পবিত্র মক্কায় ছুটে যান। ধুলামাখা শরীর আর ব্যাকুল হৃদয়ে তারা চিৎকার করে বলেন, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’।
হজের জন্য টাকা জমা রাখলে সেই টাকারও যাকাত দিতে হয়। তবে প্রশ্ন হলো, যে টাকা হজ এজেন্সিকে হজের বাবদ আদায় করে দেওয়া হয়েছে, সেই টাকারও কি যাকাত আদায় করতে হবে?
উত্তর
হজ এজেন্সিকে হজের খরচ ও ফি বাবদ যে টাকা পরিশোধ করে দেওয়া হয়ে গেছে, সেই টাকার যাকাত হজযাত্রীকে আদায় করতে হবে না। কারণ, টাকা পরিশোধ করে দেওয়ার পর ওই টাকার মালিক এজেন্সি হয়ে যায়। ফলে এরপর ওই টাকা হজযাত্রীর মালিকানায় না থাকায় এর যাকাতও তার ওপর আসবে না।
তবে কেউ যদি ভবিষ্যতে হজে যাওয়ার নিয়তে নিজের কাছেই টাকা জমা রাখেন এবং তা নেসাব পরিমাণ হয় ও এক বছর পূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে তাকে ওই টাকার যাকাত আদায় করতে হবে।
—আলজামিউল কাবীর, পৃ. ২৫; খিযানাতুল আকমাল ১/২৬৩; শরহুল জামিইল কাবীর, আত্তাবী ১/৩৪৬-৩৪৮; আলবাহরুর রায়েক ২/২০৩; রদ্দুল মুহতার ২/২৬২

-6aa517822d86e.jpg)