জাকাতের টাকা দিয়ে কাউকে হজে পাঠালে কি তা আদায় হবে?
Advertisement
ইসলাম ও জীবন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
জাকাত সহিহ হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো ‘তামলীক’। অর্থাৎ, জাকাতের অর্থ বা সম্পদের প্রকৃত মালিকানা জাকাত গ্রহণের উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করতে হবে। শুধু তার জন্য অর্থ ব্যয় করলেই তামলীক সম্পন্ন হয় না।
এ কারণে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি জাকাতের ফান্ড থেকে সরাসরি কাউকে হজে পাঠানোর খরচ বহন করে—যেমন টিকিট কেনা, ভিসার ব্যবস্থা করা কিংবা হজ এজেন্সিকে অর্থ পরিশোধ করা—তাহলে এভাবে জাকাত আদায় হবে না। কারণ এক্ষেত্রে জাকাতের অর্থ সরাসরি উপযুক্ত ব্যক্তির মালিকানায় দেওয়া হচ্ছে না; বরং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেই সেই অর্থের নিয়ন্ত্রণ রেখে তার পেছনে ব্যয় করছে।
অন্যদিকে, জাকাত পাওয়ার উপযুক্ত কাউকে যদি জাকাতের অর্থ সরাসরি দিয়ে তার পূর্ণ মালিক বানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তামলীক সম্পন্ন হয়ে যাবে। এরপর ওই ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় সেই অর্থ দিয়ে হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে জাকাতদাতার জাকাত সহিহভাবে আদায় হয়ে যাবে।
কারণ অর্থ হস্তান্তরের সময়ই ওই ব্যক্তি টাকার পূর্ণ মালিক হয়ে গেছেন। এরপর তিনি সেই অর্থ হজে ব্যয় করবেন, নাকি পরিবারের প্রয়োজন মেটাবেন—সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তার নিজের।
জাকাতের অর্থ সরাসরি উপযুক্ত ব্যক্তির মালিকানায় না দিয়ে তাকে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে জাকাত আদায় হবে না। তবে জাকাতের টাকা সরাসরি তাকে দিয়ে পূর্ণ মালিক বানিয়ে দেওয়ার পর তিনি নিজের ইচ্ছায় সেই অর্থ দিয়ে হজে গেলে জাকাতদাতার জাকাত আদায় হয়ে যাবে।
