Logo
Logo
×
   

Advertisement

অন্যান্য

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থাকলে কি চা পান করা যাবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ এএম

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থাকলে কি চা পান করা যাবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য

ফাইল ছবি

Advertisement

দিনভর ব্যস্ততার পর এক কাপ গরম চা অনেকের কাছেই স্বস্তির মুহূর্ত। কিন্তু স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি ধরা পড়ে গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার, তখন অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন-প্রিয় চা কি লিভারের জন্য ক্ষতিকর হবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভারের রোগীরা সাধারণত চা পান করতে পারেন। তবে চায়ের ধরন বা তৈরির পদ্ধতির দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অতিরিক্ত চিনি, ঘন দুধ বা চর্বিযুক্ত উপাদান যোগ করা হলে তা লিভারের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।

 গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার কী?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভারকে মাইল্ড সিম্পল হেপাটিক স্টিয়াটোসিস বলা হয়। এটি লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমার প্রাথমিক পর্যায়।

এই অবস্থায় সাধারণত বড় ধরনের ক্ষতি হয় না, তবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন না আনলে ভবিষ্যতে সমস্যা বাড়তে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাবার এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই এই অবস্থার উন্নতি সম্ভব।

কালো চা কি ফ্যাটি লিভারের জন্য উপকারী?

কালো চা বা ব্ল্যাক টি-তে (ক্যামেলিয়া সিনেনসিস) থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

ভারতের গ্যাস্ট্রোঅ্যান্টেরোলাজি ও হেপাটোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. অনন্যা মুখার্জি বলেন, ফ্যাটি লিভারের জন্য ব্ল্যাক টি দায়ী নয়। বরং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চর্বি জমা ঠেকাতে সাহায্য করে। আসল ক্ষতি করে চায়ের সঙ্গে মেশানো অতিরিক্ত চিনি, কনডেন্স মিল্ক বা ঘন দুধ।

চায়ে প্রাকৃতিক উপাদান বিপাকক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে চায়ের উপকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে এতে কী কী উপাদান যোগ করা হচ্ছে তার ওপর।  

চিনি কীভাবে লিভারে চর্বি বাড়ায়?

অতিরিক্ত চিনি শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি ও ফ্রুক্টোজের জোগান দেয়। ফ্রুক্টোজের একটি বড় অংশ লিভারের প্রক্রিয়াজাত হয় এবং অতিরিক্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে লিভারে চর্বি তৈরির প্রক্রিয়া বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত বেশি চিনি ফ্যাটি লিভারের জন্য ভালো অভ্যাস নয়। 

লিভারবান্ধব চা বানাবেন কীভাবে?

চিনি বাদ দিন: পরিশোধিত সাদা চিনি, ব্রাউন সুগার এবং কনডেন্স মিল্ক খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিষ্টি স্বাদের অভাব বোধ করলে তার পরিবর্তে স্টেভিয়া বা মস্ক ফ্রুট ড্রপস ব্যবহার করা যেতে পারে।

মসলা ব্যবহার করুন: চা তৈরির সময় পানিতে আদা কুচি, এলাচ, লবঙ্গ এবং সিলন দারচিনি থেঁতো করে দিতে পারেন। এসব মসলা চায়ের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

দুধ বদলে ফেলুন: ফুল ক্রিম দুধের বদলে স্কিমড মিল্ক, লো-ফ্যাট দুধ বা চিনি ছাড়া আমন্ড মিল্ক বা সয়া মিল্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।

বানানোর পদ্ধতি পাল্টান: চা পাতা আর মসলা প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, যাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেরিয়ে আসে। চিনি আর দুধ দিয়ে অনেকক্ষণ ধরে ফোটাবেন না। একদম শেষে অল্প দুধ মিশান।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম